নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: ‘ডিটেকশন, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’—‘থ্রি-ডি’ ফরমুলার ভিত্তিতে রাজ্যে ‘ডিটেনশন ক্যাম্প’ বা ‘হোল্ডিং সেন্টার’ চালু হওয়া মাত্রই গর্ত থেকে পিল পিল করে বেরতে শুরু করেছে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় গা-ঢাকা দিয়ে থাকা অনুপ্রবেশকারীরা কাতারে কাতারে জড়ো হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে। বিএসএফের কাছে তাদের আরজি—আমরা বাংলাদেশি। এখানে ঢুকেছিলাম, এখন দেশে ফিরতে চাই। পাঠিয়ে দিন। হাকিমপুর সীমান্তে সোমবার বিক্ষিপ্তভাবে কিছু বাংলাদেশি জড়ো হলেও, মঙ্গলবার ভিড় জমিয়েছিল কয়েকশো অনুপ্রবেশকারী। এরই পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে রাতের অন্ধকারে পালানোর চেষ্টাও শুরু করেছে বাংলাদেশিরা, এমন খবরও পেয়েছে বিএসএফ। শুরু হয়েছে বাড়তি নজরদারি ও পাহারা। এই পর্বেই সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থেকে সাত ও ভগবানগোলা এলাকা থেকে চারজন, লালগোলা থেকে ২ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে পাকড়াও করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককেই লালগোলার পদ্মাভবনের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৮। বাংলাদেশিদের ‘ডিপোর্ট’ করার জন্য বিএসএফের সঙ্গে কথাবার্তাও শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া সোমবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর থানার সৈয়দপুর থেকে এক বাংলাদেশিকে পাকড়াও করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ভারতীয় সেজে এই অনুপ্রবেশকারী বসবাস করছিল।



