Bartaman Logo
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুজোর মুখে সীমান্তের গ্রামে আগন্তুক! সতর্ক গোয়েন্দারা

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার বাড়িগুলিতে আগন্তুকদের আনাগোনার উপর নজর রাখছে কোচবিহার জেলা পুলিশ

পুজোর মুখে সীমান্তের গ্রামে আগন্তুক! সতর্ক গোয়েন্দারা
  • ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সন্দীপন দত্ত, কোচবিহার: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার বাড়িগুলিতে আগন্তুকদের আনাগোনার উপর নজর রাখছে কোচবিহার জেলা পুলিশ। পুজোর মুখে সীমান্ত টোপকে বাংলাদেশিরা ভারতে ঢুকে পড়ার চেষ্টা চালাতে পারে। অন্তত এমনই আশঙ্কা গোয়েন্দাদের। এলাকায় অপরিচিত লোক দেখলেই তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দারা। নজর রাখা হচ্ছে ওই সমস্ত এলাকার হাট-বাজারেও। 

Advertisement

কোচবিহার জেলা পুলিশের এক পদস্থ কর্তা বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এমনকী ওই সমস্ত অঞ্চলের কোনো বাড়িতে অতিথি এলেও তাদের যাবতীয় তথ্য নেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে প্রতিনিয়ত আগন্তুকদের উপর নজর রাখা হচ্ছে। 
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করছে রাজ্য পুলিশ এবং জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। সীমান্তবর্তী থানা এলাকায় কতগুলি পরিবার এবং কত মানুষের বসবাস, কাঁটাতার ঘেঁষা বাড়ির সংখ্যা কত, সন্দেহভাজন, দাগী অপরাধী এবং কতজনের পুরানো ক্রিমিনাল রেকর্ড রয়েছে, সেই সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় কতগুলি হাট বসে, তারমধ্যে সরকারি অনুমোদনহীন হাট কতগুলি, সেসব নথিও এখন পুলিশের ডায়েরিতে। 
সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি চালাতে এখানেই থেমে থাকেনি গোয়েন্দারা। ওই সমস্ত এলাকার আগন্তুকদের উপরেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোন বাড়িতে কতজন অতিথি এল, কতদিন থাকল, কবে ফিরে গেলে সেই সমস্ত তথ্য প্রতিনিয়ত নেওয়া হচ্ছে। সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে বিএসএফের সঙ্গে জেলা পুলিশের গোয়েন্দারা প্রতিনিয়ত অপরাধীদের তালিকা আদানপ্রদান করছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। 
বাংলাদেশের সঙ্গে কোচবিহার জেলায় প্রায় ৫৫০ কিমি লম্বা সীমান্ত রয়েছে। আছে উন্মুক্ত সীমান্তও। কোচবিহার জেলা পুলিশ ইতিমধ্যেই সীমান্তবর্তী এলাকায় থানার সংখ্যা ৯টি থেকে বাড়িয়ে ১১টি করার প্রস্তাব রাজ্যে পাঠিয়েছে। থানার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ফাঁড়ির সংখ্যাও বাড়ানো হবে। নতুন করে আরও ৮টি পুলিশ ফাঁড়ি বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য পুলিশের ওই কর্তা আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ এবং চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি চালাতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ