নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ফের ডিএসপি (দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট)’তে নয়া কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস! শ্রমিকদের কোয়ার্টার সংস্কারের কাজে লুট হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা—এমনই অভিযোগে সরগরম দুর্গাপুর। কোয়ার্টারে মার্বেল, টাইলস বসানোর নামে ভুয়ো বিল করে টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভ্যন্তরীণ তদন্তও শুরু করেছে ডিএসপি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শ্রমিকরা চাইছেন পুলিসি তদন্ত। ডিএসপির জনসংযোগ আধিকারিক বেদবন্ধু রায় বলেন, ‘পেনশন খাতে আর্থিক বেনিয়ম নজরে আসতেই পুলিসে অভিযোগ করা হয়েছে। কোয়ার্টার সংস্কারে বেনিয়মের বিষয়টি আমাদের নজরে নেই।’
Advertisement
কিছুদিন আগেই ডিএসপিতে পেনশনারদের টাকা কারচুপি নিয়ে কর্তৃপক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল। একাধিক আধিকারিক গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের টাকা লুটের অভিযোগ। স্বাভাবিক কারণেই কেন্দ্রীয় সংস্থার আর্থিক স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে। ডিএসপি সূত্রে জানা গিয়েছে, চার হাজার কোয়ার্টার সংস্কারের কাজে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যায় হয়েছে। চারটি ঠিকাদার সংস্থা সেই কাজ করেছে। এরপরই অভিযোগ ওঠা শুরু। কোথাও অভিযোগ ওঠে যে সব কোয়ার্টারে ডিএসপির শ্রমিকরা থাকেন, সেখানে কাজ না করে সংস্কার করা হয়েছে জবরদখলে থাকা কোয়ার্টারে। আবার কোনও কোয়ার্টারে সংস্কার না করেই বিল হয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার একবার সংস্কার করে দু’বার বিল হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আড়াই হাজার টাকা মূল্যের দরজার বিল করা হয়েছে সাড়ে আট হাজার টাকা। একের পর এক অভিযোগ আসতেই নড়েচড়ে বসে ডিএসপির শীর্ষ কর্তারা। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সংস্কারের কাজে স্ক্রুটিনি করা হচ্ছে। প্রজেক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একাধিক আধিকারিকের ভূমিকা স্ক্যানারে রয়েছে। কয়েকজনকে ‘চার্জশিট’ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। তবে, ডিএসপি কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে তা স্বীকার করেনি।
চলতি বছরেই ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে হূলস্থুল কাণ্ড বাঁধে ডিএসপিতে। ফিনান্স বিভাগের একাধিক আধিকারিক বৃদ্ধ শ্রমিকের টাকা নির্বিচারে লুট করেন বলে অভিযোগ ওঠে। দুর্গাপুর থানার পুলিস তদন্ত করছে। ডিপার্টমেন্টের রাস্তা সংস্কারের কাজেও বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সবমিলিয়ে ডিএসপি যেন দুনীর্তির আখড়া! এনিয়ে শ্রমিকমহলে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এর মধ্যেই কোয়ার্টার সংস্কারের কাজে দুর্নীতির ভুরিভুরি অভিযোগ সামনে এল।
আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিত বলেন, ‘শ্রমিকদের বঞ্চিত করে ডিএসপিতে দুর্নীতি চলছে। আমরা চাই, অভ্যন্তরীণ তদন্ত নয়, পুলিসকে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করানো হোক। দুর্গাপুরবাসী আমাদের চোর মনে করছেন। যে ভাবে একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে, তা লজ্জার। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে।’ আইএনটিটিইউসি নেতা স্নেহাশিস ঘোষ বলেন, ‘কোয়ার্টারের সংস্কারের নামে যে ব্যাপক বেনিয়ম হয়েছে, তার তদন্তভার পুলিসের হাতে দেওয়া হোক।’ পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, ‘চালুনি করে সূচের বিচার। ওরা পুকুর, সাগর চুরি করছে। ডিএসপির একের পর এক বেনিয়মের পর কেন্দ্রীয় সরকার চুপ কেন?’ বিজেপি জেলা সহসভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘তৃণমূলের মতো বিজেপি কোনওপ্রকার দুর্নীতিকে আড়াল করে না। পুলিস তদন্ত করুক।’
চলতি বছরেই ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে হূলস্থুল কাণ্ড বাঁধে ডিএসপিতে। ফিনান্স বিভাগের একাধিক আধিকারিক বৃদ্ধ শ্রমিকের টাকা নির্বিচারে লুট করেন বলে অভিযোগ ওঠে। দুর্গাপুর থানার পুলিস তদন্ত করছে। ডিপার্টমেন্টের রাস্তা সংস্কারের কাজেও বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সবমিলিয়ে ডিএসপি যেন দুনীর্তির আখড়া! এনিয়ে শ্রমিকমহলে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এর মধ্যেই কোয়ার্টার সংস্কারের কাজে দুর্নীতির ভুরিভুরি অভিযোগ সামনে এল।
আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিত বলেন, ‘শ্রমিকদের বঞ্চিত করে ডিএসপিতে দুর্নীতি চলছে। আমরা চাই, অভ্যন্তরীণ তদন্ত নয়, পুলিসকে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করানো হোক। দুর্গাপুরবাসী আমাদের চোর মনে করছেন। যে ভাবে একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে, তা লজ্জার। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে।’ আইএনটিটিইউসি নেতা স্নেহাশিস ঘোষ বলেন, ‘কোয়ার্টারের সংস্কারের নামে যে ব্যাপক বেনিয়ম হয়েছে, তার তদন্তভার পুলিসের হাতে দেওয়া হোক।’ পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, ‘চালুনি করে সূচের বিচার। ওরা পুকুর, সাগর চুরি করছে। ডিএসপির একের পর এক বেনিয়মের পর কেন্দ্রীয় সরকার চুপ কেন?’ বিজেপি জেলা সহসভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘তৃণমূলের মতো বিজেপি কোনওপ্রকার দুর্নীতিকে আড়াল করে না। পুলিস তদন্ত করুক।’



