নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রবিবারও রাজ্যজুড়ে চলল এসআইআরের ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি। তবে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের সতর্কবার্তা সত্ত্বেও এদিনও ফর্ম বিলি নিয়ে পিছু ছাড়ল না বিতর্ক। কোথাও বিএলওর পরিবর্তে তাঁর স্বামী গেলেন বাড়ি বাড়ি ফর্ম বিলি করতে। আবার কোথাও পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে বসেই চলল দেদার ফর্ম বিলি। ফর্ম বিলি শুরু হওয়ার পরে আজই ছিল প্রথম রবিবার। অর্থাৎ, বিএলওদের স্কুল বা নিত্যদিনের সরকারি কাজের চাপ ছিল না। সেই কারণেই কমিশনের তরফে থেকেও আশা করা হয়েছিল, অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন বেশি ফর্ম বিতরণ হবে। তবে শনিবারের মতোই ফর্ম বিতরণ হল রবিবারও। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, রবিবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত ৫ কোটি ১৫ লক্ষ ফর্ম বিতরণ হয়েছে। শনিবার বিলি হয়েছিল প্রায় ১ কোটির বেশি ফর্ম।
পিংলা বিধানসভা কেন্দ্রের খড়গপুর-২ ব্লকের তেঁতুলমুড়ি ১৩২ নম্বর বুথে বিএলওর বদলে তাঁর স্বামীর ফর্ম বিলি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পোলেরহাটে পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে বসে ফর্ম বিলি করার অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে এলাকা। আবার, দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের উনসানি এলাকায় একটি রাজনৈতিক দলের ক্যাম্পে বসে ফর্ম বিলির অভিযোগ উঠেছে বিএলওর বিরুদ্ধে।
তবে অবাক করা ঘটনা ঘটেছে হুগলির চুঁচুড়ায়। সেখানে বিএলও অমিতা বিশ্বাসের বাড়ির লোকের নামই খুঁজে পাওয়া যায়নি ২০০২-এর ভোটার তালিকায়! আবার বর্ধমানের মেমারিতে এসআইআরের কাজের চাপে বিএলওর ব্রেন স্ট্রোক হয়ে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি অভিযোগের দিকেই কমিশনের নজর রয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অভিযোগ সত্য হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও কমিশন আশ্বস্ত করেছে। শনিবারই শোকজ করা হয়েছে আটজন বিএলওকে। -ফাইল চিত্র