Bartaman Logo
৩০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাঁচবারের সাফল্যেও খিদে মেটেনি, অবশেষে ইউজিসি নেট-এ প্রথম সৌমেন্দু

প্রথম হওয়ার অদম্য ইচ্ছে, মেধা এবং অধ্যাবসায়ে তাক লাগিয়ে দিলেন বাংলার সৌমেন্দু ভট্টাচার্য। ইউজিসি নেট জুন-২০২৬-এর ইলেকট্রনিক সায়েন্স বিষয়ে দেশের মধ্যে প্রথম হলেন তিনি।

পাঁচবারের সাফল্যেও খিদে মেটেনি,  অবশেষে ইউজিসি নেট-এ প্রথম সৌমেন্দু
  • ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রথম হওয়ার অদম্য ইচ্ছে, মেধা এবং অধ্যাবসায়ে তাক লাগিয়ে দিলেন বাংলার সৌমেন্দু ভট্টাচার্য। ইউজিসি নেট জুন-২০২৬-এর ইলেকট্রনিক সায়েন্স বিষয়ে দেশের মধ্যে প্রথম হলেন তিনি। শুক্রবার রাতে ফলপ্রকাশ হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, অসংরক্ষিত শ্রেণির জন্য জুনিয়র রিসার্চ ফেলো (জেআরএফ) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হওয়ার সুযোগ পেতে গেলে কাট অফ মার্কস যেখানে ১৭৮, সেখানে ১৯৮ পেয়েছেন সোদপুরের এইচবি টাউনের বাসিন্দা সৌমেন্দু। ফলে একশো পার্সেন্টাইল পেয়ে প্রথম হলেন তিনি।

Advertisement

বারাকপুরে একটি বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সৌমেন্দুবাবুর অবশ্য এটাই প্রথম সাফল্য নয়। এর আগেও পাঁচবার নেট উত্তীর্ণ হন তিনি। সেই র‌্যাংক প্রথম পঞ্চাশের মধ্যেই ছিল। এছাড়াও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্নাতকোত্তর সর্বভারতীয় প্রবেশিকা গেট এবং এ রাজ্যের স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্টেও উত্তীর্ণ হন। তাহলে ফের কেন নেট দিতে বসেছেন? সৌমেন্দু বলেন, ‘বরাবরই চেয়েছিলাম প্রথম হতে। তাই আগের র‌্যাংকগুলি আমাকে খুশি করতে পারেনি। এখন মনে হচ্ছে লড়াইটা সার্থক।’ আগেই পিএইচডি করে ফেলেছেন তিনি। চাকরি নিয়েছেন অধ্যাপনার। অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর থেকে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদেও উন্নীত হয়েছেন। তবে তাতেও এই অনন্য কৃতিত্ব তারিয়ে উপভোগ করছেন সৌমেন্দুবাবু। প্রসঙ্গত এবার ৭ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮০৬ জন নেট-এ নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। পরীক্ষায় বসেন ৬ লক্ষ সাত হাজার ১৫১। জেআরএফ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের যোগ্যতায় উত্তীর্ণ হন চার হাজার ২৪১ জন। আর ইলেকট্রনিক সায়েন্সে অসংরক্ষিত শ্রেণিতে জেআরএফ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের যোগ্যতায় উত্তীর্ণ হন মাত্র চারজন। তার মধ্যে সৌমেন্দুবাবু অন্যতম। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ