


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড তৈরি করে বসে রয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এদিকে তা নিতেই এলেন না ৪৫টি স্কুলের কোনো প্রতিনিধি। ফলে, মাধ্যমিকে বসা হল না ৫০ জন পরীক্ষার্থীর। স্কুলগুলির এমন গাফিলতিতে তাজ্জব পর্ষদ কর্তারা। এনরোলমেন্ট না-হওয়া ছাত্রছাত্রীদের শেষ সুযোগ দিতে পরীক্ষার কয়েকদিন আগেও পোর্টাল খুলেছিল পর্ষদ। তাতে নথিভুক্ত করেও এই স্কুলগুলি অ্যাডমিট কার্ড নেয়নি।
কোনো কোনো প্রধান শিক্ষক নিজে না এসে বা প্রতিনিধি না পাঠিয়ে কলকাতার হস্টেলে থাকা ছেলে বা কাজে আসা ভাগ্নেকেও পর্ষদে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করেও পরীক্ষার্থীর স্বার্থে এভাবে অ্যাডমিট কার্ড দিতে বাধ্য হয়েছে পর্ষদ। তবে, একেবারেই যে প্রধান শিক্ষকরা আসেননি, তাঁরা অদ্ভুত যুক্তি দিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন, পোর্টাল খোলার পর পরীক্ষা করতে তাঁরা কোনো পড়ুয়ার নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। টেস্টে অনুত্তীর্ণ প্রার্থীর ডিটেইলস দিয়েও এনরোলমেন্ট করা হয়েছে। পর্ষদ বলছে, অ্যাডমিট কার্ড তৈরি হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষা না দিলে ওই ছাত্রকে পরের বছর সিসি ক্যান্ডিডেট হিসেবে গণ্য করা হবে যা ওই ছাত্রের কেরিয়ারের পক্ষে ভালো নয়। হাওড়া, হুগলি বাদ দিলে সব জেলাতেই এমন স্কুল রয়েছে। সবচেয়ে বেশি রয়েছে উত্তর দিনাজপুরে। সেখানকার সাতটি স্কুল, মালদহের ছয়টি স্কুল অ্যাডমিট নেয়নি। কলকাতারও দুটি স্কুল রয়েছে।
গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো ইউটিউব, ফেসবুক, এক্স-সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া এবং ভিডিয়ো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নফাঁস নিয়ে গুজব চলছেই। মডেল প্রশ্নকেই এডিট করে এবছরের মাধ্যমিকের প্রশ্ন বলে প্রচার চলছে ইউটিউবে। ফেসবুক বা এক্সেও বোর্ডের নামে অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হচ্ছে বিভ্রান্তিকর তথ্য। ১ ফেব্রুয়ারি, বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার থানার ওসির কাছে পর্ষদ সমস্ত স্ক্রিনশট, লিঙ্কসহ অভিযোগ জানিয়েছেন পর্ষদের সিকিওরিটি অফিসার।