নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: দুর্গাপুরে মহিলা সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনের পর ডিএসপির কর্মীদের কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচনেও মুখ থুবড়ে পড়ল বামপন্থীরা। দুর্গাপুর স্টিল পিপলস কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচনে সিটুর সদস্যরা মনোনয়নপত্রই জমা দিতে পারল না। একই দশা বিএমএসের। সিটু ও বিএমএস নেতাদের অভিযোগ, শাসকদলের সন্ত্রাসের জন্য তাঁরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি। নির্বাচনের আগেই আইএনটিটিইউসি, আইএনটিইউসি ও এইচএমএসের সদস্যদের মধ্যে আসন সমঝোতা হয়েছিল। তাদের তরফে একটি অতিরিক্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। অন্য কেউ মনোনয়ন জমা না করায় তাদের জয় এখন সময়ের অপেক্ষা।
Advertisement
পশ্চিম বর্ধমান জেলা সমবায় নিবন্ধক ত্রিদিব মণ্ডল বলেন, সুষ্ঠুভাবে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। একটি আসনে দু’টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। ওইদিনের মধ্যে কোনও মনোনয়ন প্রত্যাহার না হলে একটি আসনেই ভোট হবে।
ডিএসপির শ্রমিকদের নিয়ে দুর্গাপুর স্টিল পিপলস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক গড়ে উঠেছিল। এটি রাজ্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সমবায় ব্যাঙ্ক। বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ১২১৬৯। ২০১২সালে শেষবার নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন তৃণমূলের মনোনীত সদস্যরাই। যদিও ভোট লুটের অভিযোগ তুলেছিল সিপিএম। প্রায় ১৩বছর পর এবছর ফের জেলার অন্যতম বড় এই সমবায় ব্যাঙ্কে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। সেখানে ৪২আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হতেই আইএনটিটিইউসি সমস্ত শ্রমিক সংগঠনের সদস্যদের একত্রিত হয়ে বোর্ড গঠন করার আহ্বান জানায়। সেই আহ্বানে সাড়া দেয় আইএনটিইউসি ও এইচএমএস। সিটু ও বিএমএস আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ৪২টি আসনের মধ্যে আইএনটিটিইউসি ৩৩টি আসনে, আইএনটিইউসি ছয়টি ও এইচএমএস তিনটি আসনে লড়াই করবে বলে ঠিক হয়। বৃহস্পতিবার থেকে মনোনয়নপত্র তোলা ও জমা দেওয়া শুরু হয়। শুক্রবার তার শেষদিন ছিল। এদিন মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষে দেখা যায়, ৪২টি আসনে ৪৩টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। যদিও জানা যায়, শাসক শিবিরই একটি অতিরিক্ত মনোনয়ন জমা করে রেখেছে। এদিন মনোনয়ন জমা ঘিরে টানটান উত্তেজনা ছিল। সেখানে যেমন বহু মানুষের জমায়েত হয়েছিল, তেমনি বিপুল পুলিসও মোতায়েন করা হয়।
সিটু ও বিএমএসের অভিযোগ, শাসকদল বহিরাগতদের দিয়ে মনোনয়নকেন্দ্র ঘিরে ফেলেছিল। সিটু নেতা বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গতবার ওরা ভোট লুট করে জিতেছিল। এবার নির্বাচনই হতে দিল না। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে তুলতে মুখ্যসচিবকে পর্যন্ত আবেদন করেছিলাম। তা সত্ত্বেও পুলিসের উপস্থিতিতে মনোনয়ন কেন্দ্রের সামনে এত বহিরাগত কী করে থাকল? আমাদের অফিসের সামনে বাইকবাহিনী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। এসব কারণে আমরা মনোনয়ন জমা দিতে পারিনি।
আইএনটিটিইউসি নেতা স্নেহাশিস ঘোষ বলেন, ওরা সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকতে একথা বলছে। যাঁরা ব্যাঙ্কের সামনে ছিলেন, তাঁরা সবাই ব্যাঙ্কের সদস্য। আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিত বলেন, শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশমতো শ্রমিকস্বার্থে আমরা জোট করেছি। দুর্গাপুরে আইএনটিটিইউসি ও আইএনটিইউসির জোটের মাধ্যমেই কি কংগ্রেস ও তৃণমূলের কাছে আসা শুরু? জোর জল্পনা শহরজুড়ে।
ডিএসপির শ্রমিকদের নিয়ে দুর্গাপুর স্টিল পিপলস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক গড়ে উঠেছিল। এটি রাজ্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সমবায় ব্যাঙ্ক। বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ১২১৬৯। ২০১২সালে শেষবার নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন তৃণমূলের মনোনীত সদস্যরাই। যদিও ভোট লুটের অভিযোগ তুলেছিল সিপিএম। প্রায় ১৩বছর পর এবছর ফের জেলার অন্যতম বড় এই সমবায় ব্যাঙ্কে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। সেখানে ৪২আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হতেই আইএনটিটিইউসি সমস্ত শ্রমিক সংগঠনের সদস্যদের একত্রিত হয়ে বোর্ড গঠন করার আহ্বান জানায়। সেই আহ্বানে সাড়া দেয় আইএনটিইউসি ও এইচএমএস। সিটু ও বিএমএস আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ৪২টি আসনের মধ্যে আইএনটিটিইউসি ৩৩টি আসনে, আইএনটিইউসি ছয়টি ও এইচএমএস তিনটি আসনে লড়াই করবে বলে ঠিক হয়। বৃহস্পতিবার থেকে মনোনয়নপত্র তোলা ও জমা দেওয়া শুরু হয়। শুক্রবার তার শেষদিন ছিল। এদিন মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষে দেখা যায়, ৪২টি আসনে ৪৩টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। যদিও জানা যায়, শাসক শিবিরই একটি অতিরিক্ত মনোনয়ন জমা করে রেখেছে। এদিন মনোনয়ন জমা ঘিরে টানটান উত্তেজনা ছিল। সেখানে যেমন বহু মানুষের জমায়েত হয়েছিল, তেমনি বিপুল পুলিসও মোতায়েন করা হয়।
সিটু ও বিএমএসের অভিযোগ, শাসকদল বহিরাগতদের দিয়ে মনোনয়নকেন্দ্র ঘিরে ফেলেছিল। সিটু নেতা বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গতবার ওরা ভোট লুট করে জিতেছিল। এবার নির্বাচনই হতে দিল না। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে তুলতে মুখ্যসচিবকে পর্যন্ত আবেদন করেছিলাম। তা সত্ত্বেও পুলিসের উপস্থিতিতে মনোনয়ন কেন্দ্রের সামনে এত বহিরাগত কী করে থাকল? আমাদের অফিসের সামনে বাইকবাহিনী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। এসব কারণে আমরা মনোনয়ন জমা দিতে পারিনি।
আইএনটিটিইউসি নেতা স্নেহাশিস ঘোষ বলেন, ওরা সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকতে একথা বলছে। যাঁরা ব্যাঙ্কের সামনে ছিলেন, তাঁরা সবাই ব্যাঙ্কের সদস্য। আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিত বলেন, শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশমতো শ্রমিকস্বার্থে আমরা জোট করেছি। দুর্গাপুরে আইএনটিটিইউসি ও আইএনটিইউসির জোটের মাধ্যমেই কি কংগ্রেস ও তৃণমূলের কাছে আসা শুরু? জোর জল্পনা শহরজুড়ে।



