Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দেউলটি স্টেশনকে শরৎচন্দ্রের নামে করার দাবিতে ডেপুটেশন পেশ

সোমবার ছিল অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তিনি জীবনের শেষ ১২ বছর কাটিয়েছেন দেউলটির সামতাবেড় গ্রামে

দেউলটি স্টেশনকে শরৎচন্দ্রের নামে করার দাবিতে ডেপুটেশন পেশ
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: সোমবার ছিল অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তিনি জীবনের শেষ ১২ বছর কাটিয়েছেন দেউলটির সামতাবেড় গ্রামে। এই জায়গাটি বাগনান ১ নম্বর ব্লকের কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন। এখানে থাকাকালীন তাঁর হাত দিয়ে বেরিয়েছে একাধিক কালজয়ী উপন্যাস। সামতাবেড়ে শরৎচন্দ্রের বসতবাটি এখন পর্যটন কেন্দ্র। এখানে যেতে হলে ট্রেন থেকে নামতে হবে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের দেউলটি স্টেশনে। বিভিন্ন মহল থেকে দীর্ঘদিন ধরেই দেউলটি স্টেশনকে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে করার দাবি উঠেছে। এ ব্যাপারে তাঁরা রেল কর্তৃপক্ষকে চিঠিও দিয়েছে। উলুবেড়িয়ার সাংসদ সাজদা আহমেদ সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রেল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। সেকারণে মঙ্গলবার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে দেউলটির স্টেশন ম্যানেজারকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। সংস্থার সম্পাদক চন্দ্রনাথ বসু বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই দেউলটি স্টেশনকে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে করার দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রেল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ না নেওয়ায় এদিন ফের ডেপুটেশন দিলাম।

Advertisement

এখানে শরৎচন্দ্রের টালির ছাউনির দোতলা বাড়ির অন্দরে তাঁর লেখালেখির ঘর ও শোয়ার ঘরের পাশাপাশি তাঁর ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র আছে। এখানে হাওড়া জেলা পরিষদ ‘শরৎ বন’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই ‘শরৎ বনে’ কথাশিল্পীর বিভিন্ন সাহিত্যের বিভিন্ন চরিত্রকে মডেল আকারে রাখা হবে। এছাড়াও তৈরি হয়েছে বসার জায়গা। রাত্রিবাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ