নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার ঘোষণা অনুযায়ী জুন মাস থেকে জেলা শহর ও গ্রামে সংশোধিত রেশন এলাকার (এসআর) গ্রাহকদের আটার বদলে গম দেওয়া হয়েছে। তবে রেশন দোকানগুলিতে মে মাসের পর আটার যে প্যাকেটগুলি রয়ে গিয়েছিল সেগুলির কী হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল জটিলতা। খাদ্যদপ্তর থেকে রেশন ডিলারদের কাছে ‘মেসেজ’ পাঠিয়ে এই সমস্যা মেটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যেসব ডিলারের কাছে আটার প্যাকেট রয়ে গিয়েছে, তাঁদের এমাসে গম ও আটা মিলিয়ে দিতে বলা হয়েছে। অন্তত ৬০ শতাংশ গম যাতে গ্রাহকরা পান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে সেটা। যেসব আটার প্যাকেট খাওয়ার সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে সেগুলি আর দেওয়া যাবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে এই সমস্যা হবে না বলে আশা করছে খাদ্যদপ্তর। কারণ রেশন দোকানে মজুত আটা এমাসের ভিতরেই শেষ হয়ে যাবে।
অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানান, আটা বণ্টন বন্ধ করা নিয়ে রাজ্য খাদ্যদপ্তর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করলে এই সমস্যা হত না। কিন্তু তা না করেই আটার বদলে গম বণ্টন শুরু হয়। যেসব রেশন দোকানে আটা মজুত ছিল তাদের এমাসে সমপরিমাণ গম কম দেওয়া হয়েছে। খাওয়ার সময়সীমা পেরোনো আটার প্যাকেটগুলির ভবিষ্যৎ কী, খাদ্যদপ্তর জানায়নি। তাই কিছুটা জটিলতা রয়েই গিয়েছে। ই-পস যন্ত্রে ওই আটারও হিসাব রয়েছে ডিলারদের কাছে। এই পরিস্থিতিতে কী কী করণীয়। ইতিমধ্যে সেই প্রশ্ন উঠেছে। আর সেই বিষয়টি নিয়েও ফেডারেশনের তরফে একাধিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।