সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বউদিকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেওর। অভিযুক্তকে ময়নাগুড়ি থানার পুলিস রবিবার রাতে কোচবিহারের সীমান্তবর্তী কুচলিবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস জানিয়েছে, বউদিকে ধর্ষণের পর থেকে সে পলাতক ছিল। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে পুলিস অভিযান চালালে সে ধরা পড়ে। অভিযুক্তর দাবি, তার এবং বউদি প্রেমের সম্পর্ক ছিল। জানাজানি হতেই লোকলজ্জার ভয়ে এখন সেই বউদি ফাঁসিয়ে দিচ্ছে।
পুলিস সূত্রে খবর, গতমাসে ঘটনাটি ঘটে। ওই বধূ দেওরের বিরুদ্ধে ময়নাগুড়ি থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটে ময়নাগুড়িতে। অভিযুক্ত যুবক কাজের জন্য তার বউদিকে বাড়িতে ডাকে। দেওরকে বিশ্বাস করে সেই বাড়িতে গিয়েছিলেন বউদি। অভিযোগ, সেই সময় ওই বাড়িতে কেউ ছিলেন না। অভিযুক্ত যুবক সেই সুযোগে বউদিকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে বউদিকে অভিযুক্ত হুমকি দেয়, ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে ফল ভালো হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে নির্যাতিতা বধূ তাঁর স্বামীকে সমস্ত কথা জানান। এরপর ময়নাগুড়ি থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
এদিকে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত যুবক। সে বলে, আমার অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমার সঙ্গে বউদির সম্পর্ক ছিল। সেটা তার স্বামী জেনে ফেলে। এখন স্বামীর সামনে ভালো সাজতে আমাকে ফাঁসাচ্ছে।
পুলিস জানিয়েছে, বধূর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে কিছুদিন গা ঢাকা দিয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত চলছে।