বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গুর কোপ, মৃত্যু ১৩ বছরের নাবালিকার
  • ২২ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বর্ষা শুরু হতে না হতেই দমদমে ডেঙ্গুর ছোবল। মৃত্যু হল ১৩ বছরের এক কিশোরীর। মৃতের নাম সারণী বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। আক্রান্ত হওয়ার পর দক্ষিণ দমদম পুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তপসিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। শনিবার সকালে মৃত্যু হয়। সারণী মা-বাবার একমাত্র সন্তান। মা গীথিকা বন্দ্যোপাধ্যায় দমদম পুরসভার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মী। বাবা সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। পরিবারটি দমদমের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মনুজেন্দ্র দত্ত রোডের বাসিন্দা। 

Advertisement

সারণীর পরিবারের অভিযোগ, পুর হাসপাতালে উপযুক্ত চিকিৎসা হয়নি। তা হলে মেয়ে বেঁচে যেত। তবে দক্ষিণ দমদম পুর হাসপাতাল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সারণীর পরিবার জানিয়েছে, ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গুর উল্লেখ রয়েছে। সাতদিন আগে জ্বর নিয়ে ওকে দক্ষিণ দমদম পুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তারপর তপসিয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সারণীর ফুসফুসে জল জমে গিয়েছিল বলে জানান চিকিৎসকরা। এদিন ভোরবেলা ওর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর দমদমে শোকের পরিবেশ। পাশাপাশি দানা বেঁধেছে আতঙ্ক। বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গু আক্রমণ শুরু করে দেওয়ায় চূড়ান্ত ভীত পুর নাগরিকরা। দমদমের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার মিতা চট্টোপাধ্যায় জানান, মেয়েটির প্রথমে জ্বর হয়েছিল। পরে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। শুক্রবার তপসিয়ার হাসপাতালে তিনি দেখতে গিয়েছিলেন। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে অতীতে ডেঙ্গুর তেমন প্রকোপ দেখা যায়নি। এবারেও প্রকোপ নেই। তবে এই ঘটনা কী ভাবে কোথা থেকে হল বোঝা যাচ্ছে না। দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান হরিন্দর সিং জানান, ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে মেয়েটির। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পুরসভা সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে। পুর এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে।