Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, গত বছর আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় এখন থেকেই তৎপরতা প্রশাসনের

২০২৪ সাল কিছুটা স্বস্তি দিয়েছিল! কিন্তু ২০২৫ সালে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, গত বছর আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় এখন থেকেই তৎপরতা প্রশাসনের
  • ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ২০২৪ সাল কিছুটা স্বস্তি দিয়েছিল! কিন্তু ২০২৫ সালে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল। গত বছরের শেষে মশাবাহিত রোগের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় ১১৫১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৭৮ জন। ২০২৪ সালে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৭৪০ ও ৬০৭। এই অবস্থায় নতুন বছর অর্থাৎ ২০২৬-এ যাতে মশাবাহিত এই দু’টি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তার জন্য বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য জেলার তরফে জানানো হয়েছে।
আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ কী? চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা মনে করছেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেই কাজ করতে গিয়ে সেখানে অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। তারপর রক্ত পরীক্ষায় অনেকের ডেঙ্গু অথবা ম্যালেরিয়া ধরা পড়েছে। তাছাড়া বহু জায়গায় অপরিষ্কার ড্রেন, জমা জল পরিষ্কার না হওয়ার জন্যও মশা বংশবিস্তার করছে। গত বছর পুজোর পরপর রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেনিয়ায় বহু মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

Advertisement

দু’জনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। সুরাত, অন্ধ্রপ্রদেশ ওড়িশা থেকে জ্বর নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন অনেক পরিযায়ী শ্রমিক। পরে তাঁদের রক্তপরীক্ষা করে ম্যালেরিয়া পাওয়া গিয়েছিল। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাঙড় ১ ও ২ ব্লকেই সর্বাধিক ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে। যে কারণে বারুইপুর মহকুমায় আক্রান্তের হার অনেকটা বেশি হচ্ছে। তবে ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে আবার জয়নগর ১, ২ বাসন্তী এবং ক্যানিং ২ ব্লকের হাল সবচেয়ে খারাপ। মোট ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সিংহভাগই এই চারটি ব্লকের।২০২৫ সালে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও চিকিৎসক মহলের দাবি, ২০২২ এবং ২০২৩ সালে যা পরিস্থিতি হয়েছিল, এবার ততটা খারাপ পরিস্থিতি হয়নি। পরিসংখ্যান বলছে, ওই দুই বছর ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার যথাক্রমে ১৬০০ এবং ৪ হাজারের বেশি রোগী ছিল। তাই চলতি বছরে গ্রাম ও শহরাঞ্চলকে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ থেকে যতটা সম্ভব মুক্ত রাখতে এখন থেকেই পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরে নিয়মিত সাফাই অভিযান, সচেতনতা বাড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া শুরু হয়েছে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ