নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত বছরের তুলনায় ডেঙ্গু এবার অনেক কম হয়েছে। আর তা হয়েছে প্রশাসনিক স্তরে যথাযথ উদ্যোগের জন্য। গত বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৭৬০০ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন ডেঙ্গুতে। এবার সংখ্যাটা ৪ হাজার। মঙ্গলবার ডেঙ্গু এবং মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ নিয়ে রিভিউ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ১৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আছেন। গত বছর এই সময় সংখ্যাটা ছিল ৩০০। এবার দুটি জায়গা মুর্শিদাবাদের নওদা ও নদীয়ার চাকদহে যথাক্রমে ৭ এবং ১১ জন আক্রান্ত। এবছর এখনও পর্যন্ত কলকাতা কর্পোরেশন এলাকার ৬১টি ওয়ার্ডে কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হননি। ১২টি ওয়ার্ডে অল্প কয়েকজন আক্রান্ত হয়েছেন।’ এদিন মুখ্যমন্ত্রী ফের চিকিৎসকদের অভয় দিয়ে বলেন, ‘ডেঙ্গু হলে নির্ভয়ে ডেঙ্গু লিখতে পারেন।’ পর্যালোচনা বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গুতে ৭ জন মারা গিয়েছেন। আমরা প্রতিটি মৃত্যুর অডিট করছি। সম্প্রতি দক্ষিণ দমদমে যে কিশোরের মৃত্যু হয়েছে, সে ডেঙ্গুতে মারা যায়নি।’ পুজোয় পর্যটনর মরশুমে জঙ্গল এলাকায় ম্যালেরিয়ার উপদ্রব বাড়ছে। এ সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উদ্বিগ্ন বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা সতর্ক আছি।’ এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আয়ুষ্মান কার্ডের মাধ্যমে ১৫ দিনে ১৯ হাজার ৭০০ জন উপকৃত হয়েছেন। এর মধ্যে ওড়িশা, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে যাওয়া বাংলার মানুষও আছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে নিখরচায় এক রোগীর ১ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকার হার্টের অপারেশন হয়েছে। ৪ বছরের একটি বাচ্চার ৫০ হাজার টাকার অপারেশনও হয়েছে এই কার্ডে।’ অন্যদিকে, পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় শহর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ শতাংশ কমেছে।



