Bartaman Logo
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সেক্টর ফাইভ, টেকনোপলিস মোড়ে রাস্তা খানাখন্দে ভর্তি

শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। সারাদিন কয়েকশো গাড়ির চাপ থাকে। আইটি কর্মী সহ অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করে

সেক্টর ফাইভ, টেকনোপলিস মোড়ে রাস্তা খানাখন্দে ভর্তি
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। সারাদিন কয়েকশো গাড়ির চাপ থাকে। আইটি কর্মী সহ অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু সল্টলেক সেক্টর ফাইভের টেকনোপলিস মোড়ে রাস্তার চরম বেহাল দশা। পথচলতি মানুষের টিপ্পনি—চাঁদের দক্ষিণ মেরুর মতো গর্ত তৈরি হয়েছে রাস্তাজুড়ে। বর্ষার সময় গর্তে জল জমে। ছোটো জলাশয়ের চেহারা নেয়। কাদাজলের উপর দিয়ে যাতায়াতে দুর্ভোগের শেষ নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা হঠাৎ খারাপ হয়নি। ধীরে ধীরে খারাপ হচ্ছে। অথচ সংস্কারের ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই। আইটি চত্বরে রাস্তার এমন অবস্থা যা প্রত্যন্ত গ্রামকেও হার মানায়। প্রশাসন অবশ্য সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছে।

Advertisement

সল্টলেকের রাস্তা খারাপ নিয়ে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। কারণ সারাবছর উপনগরীর বেশিরভাগ রাস্তাই খারাপ অবস্থায় থাকে। রাজ্যে পালাবদলের পর রাস্তা সংস্কার নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বহু রাস্তা মেরামতের কাজ চলছে। বিধাননগর পুর এলাকায় প্রায় ৬৩ কোটি টাকা খরচ করে ১৯৩ টি রাস্তার সংস্কার হচ্ছে। এর মধ্যে সল্টলেকের ভিতরের ৬৩টি রাস্তা রয়েছে। সল্টলেক সহ বিধাননগরের মূল ২২টি রাস্তায় কংক্রিটের ব্লক পাতা হচ্ছে। পুজোর আগেই সব রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও এই টেকনোপলিস এলাকাটি পুরসভার অন্তর্গত নয়। নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি (এনডিআইটিএ) সেক্টর ফাইভের রাস্তা সংস্কার ও পরিষেবামূলক কাজকর্ম দেখে।
কলকাতা থেকে সল্টলেক বাইপাস এবং সল্টলেক থেকে টেকনোপলিস হয়ে কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন নিউটাউন-রাজারহাটের দিকে যাতায়াত করেন। উল্টোদিক থেকে আসেন আরও কয়েক হাজার। সেক্টর ফাইভে রয়েছে রা঩জ্যের আইটি হাব। সকলেই রাস্তার এই হালের সাক্ষী। নিউটাউনের দিক থেকে টেকনোপলিস মোড় ঢোকার মুখে রাস্তার অবস্থা করুণ। তার থেকে কিছুটা এগিয়ে টেকনোপলিস বিল্ডিংকে বাঁদিকে রেখে সামনে ট্রাফিক সিগন্যালের কাছে রাস্তার অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর। রাস্তাজুড়ে শুধুই গর্ত। পথচারীদের কথায়, এই করুণ ছবি দেখতে দেখতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। রাস্তা সংস্কার তো দূরের কথা, তাপ্পিও দেওয়া হচ্ছে না। তাই দুর্ভোগই ভরসা।- নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ