নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দীঘার মতো কংক্রিটের ঢালু বাঁধ তৈরি করে তার উপর বসানো হয়েছে ইটের স্ল্যাব। এতে ঢেউয়ের ঝাপটা রোধ করা যাবে। সাগরের বঙ্কিমনগরে প্রথমবার এইরকম বাঁধ বানিয়েছে সেচদপ্তর। এবারে তেমন বাঁধ গঙ্গাসাগরে করার দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। এতে ওই সৈকত রক্ষা করা যাবে বলে অভিমত তাঁদের।
গঙ্গাসাগরে বাঁধের সমস্যা বহুদিনের। যত দিন যাচ্ছে, ততই যেন আরও বেশি করে ভাঙছে সমুদ্রের পাড়। একাধিক পদক্ষেপ করে ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করেছিল সেচদপ্তর। কিন্তু কোনওটাই কাজে লাগেনি।
এদিকে, কোস্টাল রেগুলেশন জোনের আওতায় পড়ার জন্য সেখানে বড় মাপের নির্মাণ কাজ করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। কিন্তু বঙ্কিমনগরে যে কাজ হয়েছে, সেটা কেন এখানে করা যাবে না? এই প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক এবং স্থানীয় স্তরে। গ্রামবাসীরা বলছেন, নিয়ম তো সর্বত্র একই হবে। সেক্ষেত্রে বঙ্কিমনগরে একরকম কাজ হবে, আর গঙ্গাসাগরে আরেকরকম হবে, সেটা তো হয় না। আগামী দিনে যাতে কপিলমুনির মন্দির এবং তার সামনে সমুদ্রতট সুরক্ষিত রাখা যায়, তার জন্য দ্রুত পরিকল্পনা করার প্রয়োজন রয়েছে।সেচদপ্তরের মতে, এমন ঢাল করে কংক্রিটের বাঁধ দিলে অনেক সমস্যা দূর হবে। বর্তমানে দুই ও তিন নম্বর সি বিচ পুরোপুরি বন্ধ। সম্প্রতি ইটের টুকরো ছড়িয়ে পড়ায় এক নম্বর বিচকেও স্নানের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আধিকারিকরা বলছেন, বঙ্কিমনগরের মতো এখানে যদি কিছু করা যায়, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এক থেকে ছয় নম্বর সমুদ্র তটে নামতে পারবেন পুণ্যার্থীরাও।