সংবাদদাতা, কালনা: নববর্ষে হালখাতা উপলক্ষ্যে মিষ্টির চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী। সেকারণে কালনায় ছানার দাম ‘ট্রিপল সেঞ্চুরি’ হাঁকাল। রবিবার মহকুমার বৃহত্তম ছানার আড়ত কালনা স্টেশন সংলগ্ন তেঁতুলতলা বাজারে কেজি প্রতি ছানার দর উঠেছে ৩২৫ টাকায়। যা অন্যান্য সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। ভালো দাম পাওয়ায় ছানা বিক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে। তবে হালখাতার অর্ডার অনুযায়ী মিষ্টি সাপ্লাই দিতে দোকানদারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
কালনা স্টেশন সংলগ্ন এসটিকেকে রোডের ধারে তেঁতুলতলা মোড়ে রয়েছে মহকুমার বৃহত্তম ছানার পাইকারি আড়ত। কালনা সহ কাটোয়া, দাঁইহাট পূর্বস্থলী, হুগলি জেলার গুপ্তিপাড়া ও নদীয়া জেলার শান্তিপুর থেকে প্রতিদিন বহু ছানা কারবারি এই পাইকারি বাজারে আসেন। শুধু কালনার মিষ্টির দোকানদার নয়, কলকাতা সহ অন্যান্য জেলা থেকেও ছানা কিনতে আসেন মিষ্টির দোকানদাররা। নিলামের মাধ্যমে প্রতিদিন ছানার দর নির্ধারিত হয়। গড়ে প্রতিদিন ১৫-২০ কুইন্টাল ছানা বিক্রি হয়। পুজো পার্বণ, বিয়ের মরশুমে ২৫-৩০ কুইন্টাল বিক্রি হয়। কয়েকদিন আগেও কেজি প্রতি ১৫০-১৬০ টাকা দাম ছিল। কিন্তু, এখন চাহিদা বাড়ায় তা দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে।
মিষ্টির দোকানদাররা জানান, দিনকয়েক ধরে ছানার দাম ২০০টাকার উপর ছিল। শনিবার প্রতি কেজি ছানা বিক্রি হয়েছে ২৪০টাকায়। রবিবার নিলামের মাধ্যমে এক লাফে বেড়ে কেজি প্রতি দর ওঠে ৩২৫ টাকায়। এক আড়তদার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী জোগান কম থাকায় দর এতটা বেড়েছে।
ছানা বিক্রেতা প্রভাসরঞ্জন ঘোষ বলেন, পুজো-পার্বণে একটু ভালো দাম পাওয়া যায়। গো-খাদ্যের দাম বাড়ছে। এদিন ছানার দাম পাওয়ায় ভালো লাগছে। কালনার মিষ্টির দোকানদার রণজিৎ মোদক বলেন, ১৫দিন আগে থেকে ১বৈশাখের হালখাতার মিষ্টির অর্ডার নেওয়া হয়েছে। শনিবার দর ছিল ২৪০টাকা। রবিবার অস্বাভাবিক ৩২৫ টাকা দর উঠেছে। সমস্ত অর্ডারে লোকসান হবে। কীভাবে সামাল দেব বুঝে উঠতে পারছি না।