Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গরমে শীতল জলের জন্য ট্যাপ লাগানো কলসির চাহিদা বাড়ছে

বৈশাখ মাসের প্রচণ্ড গরমে নাজেহাল মানুষ। শীতল পানীয় জলের জন্য মাটির কুঁজো ও ট্যাপ লাগানোর কলসির চাহিদা বেড়েছে।

গরমে শীতল জলের জন্য ট্যাপ লাগানো কলসির চাহিদা বাড়ছে
  • ১০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আরামবাগ: বৈশাখ মাসের প্রচণ্ড গরমে নাজেহাল মানুষ। শীতল পানীয় জলের জন্য মাটির কুঁজো ও ট্যাপ লাগানোর কলসির চাহিদা বেড়েছে। এই কলসি কিনতে আরামবাগ শহরের বিভিন্ন দোকানে ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন। এতে খুশি মাটির কুঁজো ও কলসি বিক্রেতারা।

Advertisement

ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাওয়ার চেয়ে কলসি ও কুঁজোয় প্রাকৃতিক উপায়ে শীতল করা জল খাওয়া শরীরের পক্ষে উপকারী। সেকারণেই কুঁজো ও কলসির বিক্রি বেড়েছে। বিশেষত ট্যাপ লাগানো কলসি থেকে জল পান করা সহজ। সেকারণে এগুলির চাহিদা সবচেয়ে বেশি রয়েছে। মাটির কুঁজো বিক্রেতা ললিত পাল বলেন, গত কয়েকবছরের তুলনায় এবার প্রচুর বিক্রি হচ্ছে। বিশেষত ট্যাপ লাগানো কলসির তো ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের কাছে ৫, ১০, ৩০ ও ৫০লিটারের এরকম কলসি রয়েছে। দাম ১০০ থেকে ৫০০টাকা পর্যন্ত। আমরা মূলত বাগনান, দত্তপুকুর, মায়াপুর থেকে কলসি নিয়ে আসি। তারপর বাড়িতে নিজেরাই ট্যাপ লাগিয়ে নিই। গরম পড়তেই রোজ ১৫-২০পিস করে বিক্রি হচ্ছে। যা এর আগে কখনও হয়নি।
বিক্রেতারা জানালেন, তাঁরা নিজেরা ট্যাপ লাগানোয় কিছুটা কম দামে বিক্রি করতে পারছেন। অন্য জায়গায় সেটা লাগানোর জন্য মজুরি খরচ লেগে যায়। ফলে বিক্রেতারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন।
আরামবাগের বাসিন্দা সৌরভ দাস বলেন, ফ্রিজের জলের থেকে কুঁজোর জলের স্বাদ ভালো লাগে। বাড়িতে একটা পুরনো কুঁজো ছিল। সেটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন কিনে এনেছি। আরামবাগের চিকিৎসক অতনু কুণ্ডু বলেন, প্লাস্টিকের জারের চাইতে কুঁজো বা মাটির কলসির জল শরীরের পক্ষে অনেক উপকারী। প্লাস্টিকের জার বা বোতলে কেমিক্যাল থাকায় তা জলের সঙ্গে মিশে শরীরের ক্ষতি করে।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ