Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিলিন্ডার না পেলেও ‘ডেলিভার্ড’ মেসেজ! ইংলিশবাজারে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের

মালদহ: গোদের উপর বিষফোঁড়া! এসআইআর নিয়ে রাতের ঘুম উড়েছে। এবার গ্যাস সিলিন্ডারের অভাবে বন্ধ হতে বসেছে রান্নাও।

সিলিন্ডার না পেলেও ‘ডেলিভার্ড’ মেসেজ! ইংলিশবাজারে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের
  • ২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: গোদের উপর বিষফোঁড়া! এসআইআর নিয়ে রাতের ঘুম উড়েছে। এবার গ্যাস সিলিন্ডারের অভাবে বন্ধ হতে বসেছে রান্নাও।

Advertisement

গ্যাস বুকিং করার কিছুদিন পর মোবাইল ফোনে আসছে ‘ডেলিভার্ড’ মেসেজ। ভর্তুকির টাকাও ঢুকে যাচ্ছে অ্যাকাউন্টে। অথচ বাড়িতে গ্যাসের সিলিন্ডার পৌঁছচ্ছে না। তাই ইংলিশবাজার শহরে এবার রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে কালোবাজারির আশঙ্কা বাড়ছে। 
শহরের ওই এলাকার বহু মানুষ এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। মঙ্গলবার তারা গ্যাস বণ্টনকারী এজেন্সির অফিসে এসে দেখেন সেটি বন্ধ। প্রতিবাদ জানাতে শহরের সুকান্ত মোড় থেকে মালদহ টাউন স্টেশন যাওয়ার রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখান উপভোক্তারা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এই ঘটনার পর আশঙ্কা বাড়ছে অন্য উপভোক্তাদের। তাঁদের একাংশ বলছেন, আমাদের ক্ষেত্রেও যে এমন হবে না, তার গ্যারান্টি কোথায়?
ইংলিশবাজার শহরের বাসিন্দা শুভশ্রী কুন্ডু অভিযোগ করেন, ১৪ মার্চ গ্যাস বুকিং করেছি। ২৩ মার্চ মোবাইলে গ্যাস ডেলিভার্ড বলে মেসেজ ঢোকে।  অথচ ২৪ মার্চ দুপুরেও বাড়িতে গ্যাস পৌঁছয়নি। আমাদের যিনি গ্যাস ডেলিভারি দেন, তাঁর ফোন বন্ধ। গ্যাসের অফিসে এসে দেখছি, সেটাও বন্ধ। এখন আমরা কী করব? 
ওই গ্যাস বণ্টনকারী এজেন্সির কর্মী আব্দুল হালিমের দাবি, কোম্পানি এখন থেকে ১৪ কেজির পরিবর্তে ১০ কেজি গ্যাস দেওয়ার কথা। ফলে গ্যাস সিলিন্ডারের দামও কমে যাবে। তাই কোম্পানি বলেছে, যাদের পুরনো বুকিং আছে, তাঁদের সিস্টেমে ডেলিভারি দেখিয়ে দিতে হবে। সেইমতো যারা গ্যাস বুক করেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের মোবাইলে ডেলিভার্ড মেসেজ চলে গিয়েছে। এরপর যেদিন যেদিন গাড়ি আসবে, সেদিন অফিস খুলে প্রত্যেককে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া হবে। তাঁর এই যুক্তি মানতে নারাজ গ্রাহকরা।
শহরের আর এক বাসিন্দা জয়ন্ত হালদারের অভিযোগ, ২২ মার্চ আমার নামে ক্যাশ মেমো কাটা হয়েছে। ২৩ মার্চ গ্যাসের ভর্তুকির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে। অথচ আমরা গ্যাস পাচ্ছি না। গ্যাস বুকিং এজেন্সির কেউ ফোন তুলছে না। বাধ্য হয়ে আমরা এখানে এসেছি। 
গ্যাস বণ্টনকারী এজেন্সির কর্মী আরও বলেন, আমাদের প্ল্যান্ট রয়েছে পানাগড়ে। তাই সেখান থেকে যেদিন গাড়ি আসছে, সেদিনই অফিস খোলা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ ও সিকিম এলপিজি ডিস্ট্রিবিউশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সোমেশ চন্দ্র দাস বলেন, কোথাও কোনো গ্যাসের সমস্যা নেই। ওই অফিস বন্ধ রয়েছে বলেই হয়তো অসুবিধা হচ্ছে। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ