Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পাঠ্যসূচিতে বদল, বিতর্ক

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি স্নাতক ও  স্নাতকোত্তরের পাঠ্যসূচিতে বদল, বিতর্ক
  • ২৫ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি স্নাতকোত্তরে প্রথম সেমিস্টারের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ির লেখা কবিতা? তবে শুধুই স্নাতকোত্তর নয়। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি স্নাতক স্তরের সংশোধিত সম্ভাব্য পাঠ্যসূচি নিয়েও তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, স্নাতক স্তরে একই লেখকের একাধিক লেখার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে এমনকী সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লা থেকে মার্গারেট অ্যাটউডের গোয়েন্দা সাহিত্যও। বিশ্ববিদ্যালয়ের খসড়া পাঠ্যসূচি নিয়ে ইতিমধ্যেই অভিযোগে সরব হয়েছে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একটি বড় অংশ। এই ব্যাপারে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে গুচ্ছ গুচ্ছ ‘ডিসেন্ট নোট’ও জমা পড়েছে বলে খবর। 

Advertisement

যদিও এইসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, খসড়া পাঠ্যসূচি এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনার মাধ্যমেই তা স্থির হবে। সম্প্রতি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে এই বিষয়ে রীতিমতো তুলকালাম হয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের খসড়া পাঠ্যসূচির একাধিক পরিবর্তন নিয়ে লিখিতভাবেই অভিযোগ ওই এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে জমা দিয়েছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এগজকিউটিভ কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য ডঃ মিথুরাজ ধুসিয়া জানিয়েছেন, খসড়া প্রস্তাবে দেখা যাচ্ছে, ইংরেজি স্নাতকোত্তরের প্রথম সেমিস্টারে পাঠ্যক্রমে অটলবিহারী বাজপেয়ির কবিতা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এখানে তাঁর কবিতা অন্তর্ভুক্তির সার্থকতা কোথায়? প্রসঙ্গত, এর আগেও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষায় গৈরিকীকরণের অভিযোগ উঠেছে। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠ্যক্রমে খোদ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কবিতা অন্তর্ভুক্ত হলে স্বাভাবিকভাবেই এই সংক্রান্ত বিতর্ক আরও বৃদ্ধি পেতে চলেছে। 
অভিযোগ, ইংরেজি স্নাতক স্তরের সপ্তম এবং অষ্টম সেমিস্টারে সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লা আছে ইন্ডিয়ান পপুলার লিটারেচার বিভাগে। আবার পঞ্চম সেমিস্টারের চিল্ড্রেনস লিটারেচার বিভাগেও একই লেখা স্থান পেয়েছে। ষষ্ঠ সেমিস্টারেই স্পেকুলেটিভ অ্যান্ড ডিটেকটিভ লিটারেচরে মার্গারেট অ্যাটউডের দ্য হেন্ডমেডস টেইল পড়ে নিচ্ছেন ছাত্রছাত্রীরা। এবার একই লেখা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইংরেজি স্নাতক স্তরের খসড়া পাঠ্যসূচির সপ্তম এবং অষ্টম সেমিস্টারে। তা রাখা হয়েছে জঁর ফিকশনে। অম্রুতা পাতিলের আদিপর্ব চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম সব সেমিস্টারেই পড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। কোনওটি গ্রাফিক ফিকশন-ইন্ডিয়ান পপুলার লিটারেচার বিভাগে, কোনওটি আবার গ্রাফিক ন্যারেটিভস ক্যাটিগরিতে। জমা দেওয়া ‘ডিসেন্ট নোট-এ এমনই অভিযোগ করেছেন শিক্ষকরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ