নয়াদিল্লি, ২১ অক্টোবর: আশঙ্কাই সত্যি হল। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন আর সরকারি আশ্বাস সত্ত্বেও দিল্লির পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হল না। দীপাবলির পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে ধোঁয়াশার চাদরে ঢাকল রাজধানীর আকাশ। এদিন সকাল ৮টায় রাজধানীর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআই ছিল ৩৫০।
দিল্লির একটা বড় সমস্যা ‘বিষাক্ত বাতাস’। সুপ্রিম কোর্ট শর্তসাপেক্ষে দিল্লিতে পরিবেশবান্ধব আতশবাজি (গ্রিন ক্র্যাকার্স) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু রবিবার রাত থেকেই কার্যত সরকারি ‘মদতে’ রাজধানীতে শুরু হয়েছিল সীমাহীন বাজির উৎসব। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশের আশঙ্কা ছিল, দীপাবলির রাতে ভয়াবহ হবে দূষণ পরিস্থিতি। সেই আশঙ্কাও সত্যি হয়েছে। যার রেশ থেকে গিয়েছে পরের দিন। সকাল থেকেই দিল্লি এবং সংলগ্ন এনসিআর ঢেকে গেল ধোঁয়াশার চাদরে।
বাতাসের মানের উপরে নজরদারি চালানোর জন্য শহরের ৩৮টি দূষণ মনিটরিং স্টেশন খোলা হয়েছিল। তার মধ্যে ৩৬টি স্থানের দূষণের মাত্রা লাল সীমারেখা অতিক্রম করে গিয়েছে। আর চারটি স্থানের বাতাস ‘খুব খারাপ’ বলে জানিয়েছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।