Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬

দিল্লি পুরনিগমে উপনির্বাচন ৩০শে, নজরে চাঁদনি চক, বিস্ফোরণই মূল ইশ্যু

আগামী ৩০ নভেম্বর উপনির্বাচন রয়েছে দিল্লি পুরনিগমের ১২টি ওয়ার্ডে। এর মধ্যে অন্যতম চাঁদনি চক। গত সোমবার লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ আচমকাই পালটে দিয়েছে চাঁদনি চকে সবক’টি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচারের কৌশলই।

দিল্লি পুরনিগমে উপনির্বাচন ৩০শে, নজরে চাঁদনি চক, বিস্ফোরণই মূল ইশ্যু
  • ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আগামী ৩০ নভেম্বর উপনির্বাচন রয়েছে দিল্লি পুরনিগমের ১২টি ওয়ার্ডে। এর মধ্যে অন্যতম চাঁদনি চক। গত সোমবার লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ আচমকাই পালটে দিয়েছে চাঁদনি চকে সবক’টি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচারের কৌশলই। এই মুহূর্তে চাঁদনি চকের মূল ভোট ইশ্যু সাধারণ মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা। সেইমতোই কোমর বাঁধছে বিজেপি এবং আম আদমি পার্টি (আপ)। বিজেপির দাবি, সরকার এবং পুলিস প্রশাসন তৎপর ছিল বলেই আরও বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। জঙ্গিদের যাবতীয় পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। আপের পালটা অভিযোগ, তৎপরতার কোনও নজির নেই। ১২টি মৃত্যু কোনও তৎপর প্রসাসনের উদাহরণ হতে পারে না। সরকারের ‘ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর’ই এহেন বিস্ফোরণ এবং তৎপরবর্তী যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতির একমাত্র কারণ। এমনিতেই চাঁদনি চক ওয়ার্ড রয়েছে আপের দখলেই। দিল্লি বিস্ফোরণকে হাতিয়ার করে তা ছিনিয়ে নিতে রীতিমতো তৎপর হয়েছে গেরুয়া শিবির। 

Advertisement

চাঁদনি চক ছাড়া দিল্লি পুরনিগমের অন্য যে ১১টি ওয়ার্ডে উপনির্বাচন হতে চলেছে, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরপ্রতিনিধিরা দিল্লি বিধানসভা ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। যেমন শালিমার বাগ-বি’র পুরপ্রতিনিধি রেখা গুপ্তা। ভোটে জেতার পর বর্তমানে তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। আবার দ্বারকা-বি’র কাউন্সিলার কমলজিৎ শেহরাওয়াত লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম দিল্লি কেন্দ্র জিতে এমপি হয়েছেন। সেই ছেড়ে দেওয়া আসনেও উপনির্বাচন হচ্ছে আগামী ৩০ নভেম্বর। 
তবে এই সবক’টি ওয়ার্ড ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে চাঁদনি চক। এখানে আপ প্রার্থী করেছে হর্ষ শর্মাকে। চাঁদনি চক ওয়ার্ডে বিজেপির প্রার্থী সুমনকুমার গুপ্তা। বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত রবিবারই পুরনিগমের উপনির্বাচন নিয়ে এক বৈঠক করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। সেখানে হাজির ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতা বিএল সন্তোষও। ওই বৈঠকে চাঁদনি চকের উপরই সবথেকে বেশি জোর দিয়েছে গেরুয়া শিবির। আগামী ৩ ডিসেম্বর জানা যাবে ফলাফল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ