নয়াদিল্লি: রাজধানীর বাতাসের গুণগত মান সোমবার আরও তলানিতে। ধোঁয়াশার চাদরে ঢেকেছে মধ্য দিল্লির একাধিক এলাকা। এদিন বাতাসের গুণগত মান ‘অতি খারাপ’ শ্রেণিতে। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের মাপকাঠিতে ৩০০ ছাপিয়ে গিয়েছে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স। এরইমাঝে দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো সংক্রান্ত নিয়ম বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, দীপাবলিতে ৭ ও ৮ নভেম্বর দিল্লি-এনসিআর এলাকায় সবুজ বাজি ফাটানো যাবে। এই দু’দিন সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাতে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত পোড়ানো যাবে সবুজ বাজি। ৯ তারিখ এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এসংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ ও বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ জানিয়েছে, সামগ্রিকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে একটি আদর্শ সমাধান মিলত। তবে আদালতের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে। উদ্বেগ প্রকাশ করে কোর্টের বক্তব্য, বারবার বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করা হচ্ছে। সবুজ আতশবাজির আড়ালে বাজারে দেদার ক্ষতিকারক সাধারণ বাজি বিক্রি হচ্ছে। এখনও পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। এক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতাল, নার্সিংহোম, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রমগুলির ৩০০ মিটার এলাকায় কোনোরকম বাজি ফাটানো যাবে না। এগুলি ‘নো ক্র্যাকার্স জোন’ হিসাবে ঘোষণা করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। বাজি প্রস্তুতকারীদের সতর্ক করার পাশাপাশি প্রশাসনকেও কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের বার্তা, দীপাবলির সঙ্গে ধর্মীয়, সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক দিকের পাশাপাশি আবেগও জড়িয়ে রয়েছে। দূষণ বাড়লে, প্রাণ সংকটে পড়লে উৎসবের মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়ে যায়।



