নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বঙ্গ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। সেই বিষয়ে শনিবার ওম্বুডসম্যান জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যের সামনে শুনানি চলল দীর্ঘক্ষণ। তবে কোনওরকম সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি কলকাতা হাইকোর্টের এই প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। ফলে সিএবি’র যুগ্মসচিব দেবব্রত দাস ও কোষাধ্যক্ষ প্রবীর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ইস্যুটি ঝুলেই রইল।
যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে দলে সুযোগ করে দেওয়া, ক্লাব পাইয়ে দেওয়া ছাড়াও সিএবি’র বকেয়া টাকা আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। কোষাধ্যক্ষ প্রবীর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত ছাড়াও রয়েছে সিএবি’র টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। উয়াড়ি ক্লাবের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি সিএবি’র গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে একই সঙ্গে দু’টি পদে ছিলেন। তাছাড়া আর্থিক কারচুপির অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেজন্যই এদিনের শুনানি ঘিরে বিশেষ কৌতূহল ছিল ক্রিকেট মহলের। তবে সূত্রের খবর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আরও কয়েকটি শুনানির প্রয়োজন। এদিকে, বাংলার ৫০ জনের প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছে মহম্মদ সামিকে। ইংল্যান্ড সফরের ভারতীয় দলে জায়গা হয়নি তাঁর। তাই নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করতে বাংলার হয়ে খেলতে পারেন তিনি।