Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

মাথায় ২১৪ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ, লোকসভায় বাজেট পাশ হবে আজ

মাথায় ২১৪ লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই আজ সংসদে পাশ হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। আগামী ১ এপ্রিল থেকে খরচের হিসাব শুরু হবে।

মাথায় ২১৪ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ, লোকসভায় বাজেট পাশ হবে আজ
  • ২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মাথায় ২১৪ লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই আজ সংসদে পাশ হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। আগামী ১ এপ্রিল থেকে খরচের হিসাব শুরু হবে। আসন্ন অর্থবর্ষে মোদি সরকার প্রায় সাড়ে ৫৩ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করবে বলেই আজ সংসদের সীলমোহর লাগতে চলেছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সহ চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ভোট সহ অন্যান্য খরচের জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হচ্ছে ৩৮২ কোটি ২২ লক্ষ টাকা। সেই মতো সামান্য আলোচনা শেষে কিছু সংশোধনী সহ পাশ হবে বাজেট। সরকারের পক্ষ থেকে যেমন ‘দ্য ফিনান্স বিল ২০২৬’-এ সংশোধনী আনা হবে, একইভাবে এন কে প্রেমচন্দ্রনের মতো বিরোধীরাও জমা দিয়েছে সংশোধনী। তবে বিরোধীদের সংশোধনী গ্রাহ্য করা হবে না। সরকার নিজের মতো করেই বাজেট পাশ করাবে বলেই জানা গিয়েছে। সংসদে বাজেট পেশ করার ৫০ দিন পর আজ লোকসভায় পাশ হবে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট। সংসদে গত ১ ফেব্রয়ারি বাজেট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। 

Advertisement

যদিও সংসদের অনুমোদনে আগামী এক বছর ৫৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা খরচ করা হবে বলে মোদি সরকার বাজেট পাশ করালেও ফের যে ২০২৭ সালের শেষে গিয়ে বাড়তি অর্থ চাইবে না, তার কোনো গ্যারান্টি নেই বলেই ওয়াকিবহাল মহলের মত। কেন না, এবারই যেমন চলতি মার্চেই শেষ ২০ দিনের জন্য প্রায় দু লক্ষ কোটি টাকা বাজেট বর্হিভূত বাড়তি টাকা খরচে সংসদের অনুমোদন নিয়েছে সরকার। একইভাবে আগামী বছরও হবে। কারণ, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ভারতে পরোক্ষ প্রভাব পড়ছে। কমছে টাকার মূল্য। বাড়ছে মার্কিন ডলারের দাম। তারই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে সরকারের ঋণের বোঝা। যা সামাল দেওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। 
সরকারি তথ্য মোতাবেক, আসন্ন অর্থবর্ষে সরকারের আনুমানিক রাজস্ব আয় হবে ৩৬ লক্ষ ৫১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। আগামী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মাথায় দেশ-বিদেশ মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণ ও দায়ের অঙ্ক দাঁড়াবে ২১৪ লক্ষ ৮২ হাজার ৫০ কোটি টাকা (২১৪,৮২,০৫০ কোটি)। ফলে ভারত শীঘ্রই তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা যতই ঢাক পেটান, বিষয়টি ‘ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ!’ অর্থাৎ ধার করে ঘি খাওয়ার ব্যাপার হয়েই দাঁড়াচ্ছে। ফলে রাজস্ব বাড়াতে সরকার যে আগামী দিনে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে জনগণের ওপরই  চাপ বাড়াবে, তা বলাই বাহুল্য। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ