সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: কুলপির ঈশ্বরীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানের উপর প্রাণঘাতী হামলা। অভিযোগ, জনাকয়েক দুষ্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। আহত অবস্থায় তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন তিনি। এ বিষয়ে প্রধান দেবপ্রিয় মণ্ডল ইমেল করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, বুধবার রাত আটটা নাগাদ দেবপ্রিয়বাবু চকবৈদ্য গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ি গিয়েছিলেন। কথাবার্তার পর রাত ন’টা নাগাদ বাড়ি ফেরার উদ্দেশে রওনা দেন। তখন জনাকয়েক দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে তিনি কুলপি থানায় তৎক্ষণাৎ খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর আগেই দুষ্কৃতীরা মারধর শুরু করে। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। বেধরক মার মারে বলে অভিযোগ। দেবপ্রিয়বাবু বলেন, ‘ভারী ইট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে। আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। সেই সময় পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী ও কন্যা আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপরও চড়াও হয়।’ পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রধানকে উদ্ধার করে। এরপর কুলপি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। অন্যদিকে কুলপির গাজীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক পালাবদল হল। আগে প্রধান শাহানুর বিবি মোল্লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হয়েছিল। শনিবার পঞ্চায়েত কক্ষে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ১৪ সদস্যের মধ্যে ৯ জনের সমর্থন নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়া প্রধান নির্বাচিত হন বিজেপির একমাত্র জয়ী সদস্যা রাখিলতা হালদার। জানা গিয়েছে, গাজীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৫টি আসন আছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল ৫, কংগ্রেস ৬, আইএসএফ ২, সিপিএম ও বিজেপি একটি করে আসনে জয়লাভ করেছিল। এর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত এক সদস্যের আকস্মিক মৃত্যু হয়। ফলে পঞ্চায়েতে রয়েছে ১৪ সদস্য। তাঁদের মধ্যে ন’জনের সমর্থন নিয়ে রাখিলতা হালদার প্রধান নির্বাচিত হন। ৫অক্টোবর উপপ্রধান পদের নির্বাচন হবে বলে জানা গিয়েছে। নিজস্ব চিত্র



