সংবাদদাতা, লালবাগ: দিদির বউভাতের অনুষ্ঠান থেকে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার সময় পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক কিশোরের। জখম আরও এক। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে জিয়াগঞ্জ শহরের ফুলতলা মোড়ে। পুলিস ঘাতক গাড়ি ও চালককে আটক করেছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কিরণ মণ্ডল(১৬)। বাড়ি জিয়াগঞ্জ থানার গণেশপুর সরকারপাড়ায়। মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দেহের ময়নাতদন্ত হয়।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, জিয়াগঞ্জ থানার গণেশপুর সরকারপাড়ার বাসিন্দা গান্ধী মণ্ডলের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। রবিবার বড় মেয়ের বিয়ে হয় ভগবানগোলা থানার হরিনাথপুর কানাপাড়ায়। সোমবার বউভাতের অনুষ্ঠান ছিল। পরিবারের লোকজন এবং আত্মীয় পরিজন গাড়ি ভাড়া করে ওই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। কিরণ গ্রামেরই যুবক শুভ মণ্ডলের বাইকে চেপে দিদির বউভাতে গিয়েছিল। রাত ১২টা নাগাদ ওই যুবকের বাইকে চেপে কিরণ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। জিয়াগঞ্জের ফুলতলা মোড়ে একটি পিকআপ ভ্যান পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মারলে দুইজনেই রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে।
স্থানীয়রা দু’জনকে উদ্ধার করে জিয়াগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কিরণের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক। চিকিৎসা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে কিরণের মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার পরেই মাঝে মধ্যেই জ্ঞান হারাচ্ছেন মা নমিতা মণ্ডল। প্রতিবেশী মহিলারা তাঁকে সামলাচ্ছেন। সকাল থেকে বাড়ির সামনে গ্রামবাসীরা জড়ো হন। নমিতাদেবী বলেন, বাইক নিয়ে যেতে বার বার বারণ করেছিলাম। আমার কথা শুনল না। শুনলে এই দিনটা দেখতে হত না। মৃত কিশোরের বাবা গান্ধীবাবু বলেন,ছেলে এমনভাবে আমাদের ছেড়ে চলে যাবে কখনও ভাবিনি। এখন স্ত্রীকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা দু’জনকে উদ্ধার করে জিয়াগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কিরণের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক। চিকিৎসা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে কিরণের মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার পরেই মাঝে মধ্যেই জ্ঞান হারাচ্ছেন মা নমিতা মণ্ডল। প্রতিবেশী মহিলারা তাঁকে সামলাচ্ছেন। সকাল থেকে বাড়ির সামনে গ্রামবাসীরা জড়ো হন। নমিতাদেবী বলেন, বাইক নিয়ে যেতে বার বার বারণ করেছিলাম। আমার কথা শুনল না। শুনলে এই দিনটা দেখতে হত না। মৃত কিশোরের বাবা গান্ধীবাবু বলেন,ছেলে এমনভাবে আমাদের ছেড়ে চলে যাবে কখনও ভাবিনি। এখন স্ত্রীকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।



