সংবাদদাতা, কালিয়াচক: ভিনরাজ্যের এক যুবককে অপহরণের অভিযোগ উঠল বৈষ্ণবনগরের দুই বাসিন্দার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, বৈষ্ণবনগরের দুই বাসিন্দা আব্দুল আইয়ুব ও আকবর হোসেন পরিযায়ী শ্রমিকের ঠিকাদারি করে। তারা বিহার এবং ঝাড়খণ্ডেও নিজেদের ঠিকাদারি ব্যবসা চালায়। বিহারের কাটিহার থেকেও বহু বাসিন্দা আব্দুলের মাধ্যমে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যায়।
Advertisement
কাটিহারে আব্দুলদের হয়ে শ্রমিক নিয়োগ করতেন সেখানকারই বাসিন্দা সাফেদ আলি। কয়েকমাস আগে শ্রমিক নিয়োগ করার জন্য আব্দুলের কাছ থেকে দাদন হিসেবে টাকা নিয়েছিলেন সাফেদ। কিন্তু শ্রমিক পাঠাননি সাফেদ। এই নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। আর সেই টাকা না দেওয়ায় রবিবার সাফেদকে কাটিহার থেকে তুলে নিয়ে আসে আব্দুল ও আকবর। অভিযোগ,তাঁকে বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার সাহাবানচকের কালীনগরে নিজেদের বাড়ির কাছেই তারা আটকে রাখে। পাশাপাশি চলে বেধড়ক মারধর। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার এলাকায় যায় বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস। তারা যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি দু’জনকে পুলিস আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে গ্রেপ্তার করে।
প্রহৃত যুবকের দাদা জানিয়েছেন,ভাইকে আটকে রেখে দু’জন আমাদের ফোন করে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। থানা থেকে ফোন করে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়। দু’জনের বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে ধৃতদের পরিবারের কেউই এবিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। ধৃত আব্দুলের এক আত্মীয় আলম শেখ বলেন, পুলিস আব্দুলদের ধরে নিয়ে গিয়েছে। ওরা কী করেছে তা জানা নেই। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
প্রহৃত যুবকের দাদা জানিয়েছেন,ভাইকে আটকে রেখে দু’জন আমাদের ফোন করে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। থানা থেকে ফোন করে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়। দু’জনের বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে ধৃতদের পরিবারের কেউই এবিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। ধৃত আব্দুলের এক আত্মীয় আলম শেখ বলেন, পুলিস আব্দুলদের ধরে নিয়ে গিয়েছে। ওরা কী করেছে তা জানা নেই। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



