নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাণিজ প্রোটিন উৎপাদনের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশকে পিছনে ফেলে দেশের শীর্ষে পৌঁছল বাংলা। মোদি সরকারের রিপোর্টেই এই তথ্য সামনে এসেছে। এই সাফল্যের জন্য কেন্দ্রের তরফে পশ্চিমবঙ্গের সুখ্যাতিও করা হয়েছে।
Advertisement
এই বিষয়ে এক্স-এ রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, কেন্দ্রে সদ্য প্রকাশিত রিপোর্ট পশুপালন পরিসংখ্যান, ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলা এখন দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ মাংস উৎপাদনকারী রাজ্য! পরিমাণ জাতীয় উৎপাদনের ১২.৬২ শতাংশ। রাজ্যের উদ্ভাবনী নীতি এবং কর্মসূচির পাশাপাশি কৃষক-উৎপাদকদের উদ্যোগের কারণেই আজ এই সাফল্যের মুখ দেখেছে বাংলা। ডিম উৎপাদনে রাজ্যে বার্ষিক বৃদ্ধির হার ১৮.০৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, সেখানে জাতীয় গড় ৩.১৮ শতাংশ।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মূলত দশদফা কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর। প্রথমত, মুক্তাঙ্গন পদ্ধতিতে মুরগি পালনে উৎসাহিত করা হয়েছে। ২০২১-২২ সাল থেকে ২০২৩-২৪ সাল পর্যন্ত ১৭০.৯৩ কোটি টাকায় ২২.৭৮ লক্ষ ব্যক্তি উপভোক্তা এবং ২৭,৯৮৫টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে মোট ২.৪৫ কোটি মুরগি ও হাঁসের বাচ্চা বিতরণ করা হয়েছে। ওই তিনবছরে প্রকল্পটিতে ১৭০.৯৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইনসেনটিভ স্কিম, ২০১৭-র অধীন ১৫৮টি ডিমপ্রদায়ী মুরগির খামার তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫৯.৪০ কোটি টাকায় তৈরি ১১৪টি খামার ইতিমধ্যেই উৎপাদন শুরু করেছে। সেগুলিতে ৫৭.৩৫ লক্ষ মুরগি থেকে বছরে প্রায় ১৭৯ কোটি ডিম উৎপাদন হচ্ছে। এছাড়া ব্রয়লার ইন্টিগ্রেশন প্রোগ্রামের অধীনে ১৫টি জেলার ২১০০ চাষি যুক্ত হয়েছেন। চালু হয়েছে পিগ ইন্টিগ্রেশন প্রোগ্রাম, গোট ক্লাস্টার ও এফপিসি এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী। তাদের মাধ্যমে ছাগল, শূকর প্রভৃতি পশুপালন চলছে। এছাড়া নেওয়া হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল গোট ব্রিডিং পলিসি, ২০২৩। সরকারি উদ্যোগে চালু করা হয়েছে বাণিজ্যিক পোল্ট্রি লেয়ার ফার্ম, মুরগির ব্রিডিং ফার্ম এবং মিট প্ল্যান্ট। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই সমস্ত উদ্যোগ রূপায়ণের ফলেই আজ দেশের মধ্যে পয়লা নম্বর হয়ে উঠেছে বাংলা। জানিয়েছেন রাজ্যের বিভাগীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মূলত দশদফা কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর। প্রথমত, মুক্তাঙ্গন পদ্ধতিতে মুরগি পালনে উৎসাহিত করা হয়েছে। ২০২১-২২ সাল থেকে ২০২৩-২৪ সাল পর্যন্ত ১৭০.৯৩ কোটি টাকায় ২২.৭৮ লক্ষ ব্যক্তি উপভোক্তা এবং ২৭,৯৮৫টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে মোট ২.৪৫ কোটি মুরগি ও হাঁসের বাচ্চা বিতরণ করা হয়েছে। ওই তিনবছরে প্রকল্পটিতে ১৭০.৯৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইনসেনটিভ স্কিম, ২০১৭-র অধীন ১৫৮টি ডিমপ্রদায়ী মুরগির খামার তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫৯.৪০ কোটি টাকায় তৈরি ১১৪টি খামার ইতিমধ্যেই উৎপাদন শুরু করেছে। সেগুলিতে ৫৭.৩৫ লক্ষ মুরগি থেকে বছরে প্রায় ১৭৯ কোটি ডিম উৎপাদন হচ্ছে। এছাড়া ব্রয়লার ইন্টিগ্রেশন প্রোগ্রামের অধীনে ১৫টি জেলার ২১০০ চাষি যুক্ত হয়েছেন। চালু হয়েছে পিগ ইন্টিগ্রেশন প্রোগ্রাম, গোট ক্লাস্টার ও এফপিসি এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী। তাদের মাধ্যমে ছাগল, শূকর প্রভৃতি পশুপালন চলছে। এছাড়া নেওয়া হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল গোট ব্রিডিং পলিসি, ২০২৩। সরকারি উদ্যোগে চালু করা হয়েছে বাণিজ্যিক পোল্ট্রি লেয়ার ফার্ম, মুরগির ব্রিডিং ফার্ম এবং মিট প্ল্যান্ট। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই সমস্ত উদ্যোগ রূপায়ণের ফলেই আজ দেশের মধ্যে পয়লা নম্বর হয়ে উঠেছে বাংলা। জানিয়েছেন রাজ্যের বিভাগীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।



