পবিত্র বর্মন, শিলিগুড়ি: রাজ্য ভাওয়াইয়ার ফল ঘোষণার তিনদিন কেটে দিয়েছে। এখনও ফোন করে শুভেচ্ছাবার্তা জানাচ্ছেন অনেকে। মেসেজের নোটিফিকেশন বেজেই চলেছে নাগারে। ফোন ধরার ফুরসৎ পাচ্ছেন না চম্পাসারির নয়াবাজারের পীযূষ রায়। সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য প্রতিদিনই বাড়িতে লোকের ঢল। একই অবস্থা মার্টিনা সিংহের বাড়িতেও। তাঁরা দু’জনই রাজ্য ভাওয়াইয়া প্রতিযোগিতায় এবার মাটিগাড়া ব্লক থেকে নজর কেড়েছেন। রাজ্যস্তরের এই সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় দরিয়া বিভাগে পীযূষ দ্বিতীয় এবং চটকা বিভাগে মার্টিনা প্রথম হয়েছেন। এক ব্লক থেকে দুই শিল্পীর এই কীর্তি ভাওয়াইয়া জগতে বিরল। এমনই মনে করছেন ভাওয়াইয়া শিল্পীরা।
Advertisement
ভাওয়াইয়া গানের চর্চাকারী গণেশ সিংহ বলেছেন, দার্জিলিং জেলার মাটিগাড়া ব্লক থেকে জোড়া খেতাব এর আগে কেউ পাননি। এবারই প্রথম চটকা ও দরিয়ায় এখানকার দু’জন জোড়া পুরস্কার পেলেন। একই ব্লক থেকে দুই প্রতিভাবান শিল্পীর এই কীর্তিতে উচ্ছ্বসিত অনেকে। ছোটরাও তাদের কাছে এখন অনুপ্রেরণা।
দরিয়ায় দ্বিতীয় হয়ে বাঁধন ছাড়া উচ্ছ্বাস বছর পঁচিশের পীযূষের গলায়। গানের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি ছেড়ে দেওয়াটা যে ভুল সিদ্ধান্ত ছিল না, পরিবার ও প্রতিবেশীর কাছে সেটা প্রমাণ করে দিয়েছেন রাজ্য ভাওয়াইয়ায় দ্বিতীয় হয়ে। গানটাই আমার জীবনের সব-এটা নিয়েই ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে চাই, অকপট পীযূষ। সাত-আট বছর ধরে রাজ্য ভাওয়াইয়ায় অংশ নিয়ে এবার যেন সাফল্য এসেছে। তবে প্রথম না হওয়ার আফশোসটা নিয়েই গানের সংসারে আরও মনোযোগী হতে চান শিলিগুড়ির সূর্য সেন কলেজের এই প্রাক্তনী। ছোটবেলা থেকে গানের জগতে পা রাখা। ছাত্রাবস্থায় শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরের নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তাঁকে সঙ্গীতজগতে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার মঞ্চ তৈরি করে দেয়। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল গীতির সঙ্গে উত্তরের মাটির গান ভাইয়াইয়ায় নিজেকে সঁপে দিয়েছেন পীযূষ। এখন দিন কাটে তাঁর গান শিখিয়ে। নিজের বাড়ি, শিলিগুড়ি, শিবমন্দির, রানিডাঙা, ফুলবাড়িতে গান শেখান। অর্ধেক ছাত্রকে বিনে পয়সায় গান শেখান। যাতে ভাইয়াইয়ার আরও প্রসার ঘটে। সেই কাজই নিরলভাবে করে চলেছেন এই যুবক। তাঁর কথায়, আমার ছাত্ররাই এখন আমার প্রতিযোগী। ওদের সঙ্গেই আমি এবার ব্লক ও রাজ্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম।
এদিকে, চটকায় প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্তিতে আনন্দের ঘোর কাটছে না শিবমন্দিরের মার্টিনা সিংহের। পরিবারে ভাওয়াইয়ার পরিবেশ পেয়েছিল ছোটবেলা থেকে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র সুপারিন্টেনডেন্ট বাবা গণেশ সিংহ ভাওয়াইয়া গানের পাশাপাশি দোতরা, ভায়োলিন বাজান।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের গবেষক বছর ছাব্বিশের মার্টিনা বলেন, চারবার প্রতিযোগিতায় অংশ নিই। এবার চটকা বিভাগে একবারে প্রথম হব ভাবতে পারিনি। মাটির গান নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।
দরিয়ায় দ্বিতীয় হয়ে বাঁধন ছাড়া উচ্ছ্বাস বছর পঁচিশের পীযূষের গলায়। গানের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি ছেড়ে দেওয়াটা যে ভুল সিদ্ধান্ত ছিল না, পরিবার ও প্রতিবেশীর কাছে সেটা প্রমাণ করে দিয়েছেন রাজ্য ভাওয়াইয়ায় দ্বিতীয় হয়ে। গানটাই আমার জীবনের সব-এটা নিয়েই ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে চাই, অকপট পীযূষ। সাত-আট বছর ধরে রাজ্য ভাওয়াইয়ায় অংশ নিয়ে এবার যেন সাফল্য এসেছে। তবে প্রথম না হওয়ার আফশোসটা নিয়েই গানের সংসারে আরও মনোযোগী হতে চান শিলিগুড়ির সূর্য সেন কলেজের এই প্রাক্তনী। ছোটবেলা থেকে গানের জগতে পা রাখা। ছাত্রাবস্থায় শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরের নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তাঁকে সঙ্গীতজগতে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার মঞ্চ তৈরি করে দেয়। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল গীতির সঙ্গে উত্তরের মাটির গান ভাইয়াইয়ায় নিজেকে সঁপে দিয়েছেন পীযূষ। এখন দিন কাটে তাঁর গান শিখিয়ে। নিজের বাড়ি, শিলিগুড়ি, শিবমন্দির, রানিডাঙা, ফুলবাড়িতে গান শেখান। অর্ধেক ছাত্রকে বিনে পয়সায় গান শেখান। যাতে ভাইয়াইয়ার আরও প্রসার ঘটে। সেই কাজই নিরলভাবে করে চলেছেন এই যুবক। তাঁর কথায়, আমার ছাত্ররাই এখন আমার প্রতিযোগী। ওদের সঙ্গেই আমি এবার ব্লক ও রাজ্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম।
এদিকে, চটকায় প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্তিতে আনন্দের ঘোর কাটছে না শিবমন্দিরের মার্টিনা সিংহের। পরিবারে ভাওয়াইয়ার পরিবেশ পেয়েছিল ছোটবেলা থেকে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র সুপারিন্টেনডেন্ট বাবা গণেশ সিংহ ভাওয়াইয়া গানের পাশাপাশি দোতরা, ভায়োলিন বাজান।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের গবেষক বছর ছাব্বিশের মার্টিনা বলেন, চারবার প্রতিযোগিতায় অংশ নিই। এবার চটকা বিভাগে একবারে প্রথম হব ভাবতে পারিনি। মাটির গান নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।



