নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আরামবাগ মহকুমায় ৩০-ঊর্ধ্ব বয়সিদের ডায়াবেটিস ও হাইপার টেনশন রোগ চিহ্নিত করতে টার্গেট বেঁধে দিল স্বাস্থ্যদপ্তর। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে আরামবাগ মহকুমায় ৩১ লক্ষ ৭৩ হাজার ২২০ জন বাসিন্দার বিশেষ স্ক্রিনিং করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরামবাগ পুরসভা ও মহকুমার প্রত্যেকটি ব্লকের জনসংখ্যা অনুযায়ী টার্গেট দিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। হুগলির মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মৃগাঙ্ক মৌলি কর বলেন, এই কর্মসূচি সারা বছরই চলে। যেসব ব্লক পিছিয়ে রয়েছে তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাসিন্দাদের সংশ্লিষ্ট রোগ নির্ণয়ে টার্গেট দেওয়া হয়েছে। বাসিন্দাদের এই ধরনের রোগ নির্ণয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও দেওয়া হবে। প্রত্যেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই এই স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
Advertisement
পুরশুড়ার বিএমওএইচ সুব্রত বাগ বলেন, আমাদের ব্লকের প্রত্যেকটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই হাইপার টেনশন ও ডায়াবেটিস নির্ণয়ের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে।
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ বছর বয়সের পরই হাইপার টেনশন ও ডায়াবেটিসের সমস্যা অনেক সময় দেখা যায়। তাই তাঁদের রোগ নির্ণয়ে আগাম ব্যবস্থা নিতেই স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে রক্ত চাপ মাপার ও ডায়াবেটিস পরীক্ষার যন্ত্র রয়েছে। বাসিন্দারা এলেই তা দিয়ে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষার ফল দেখে টেলি মেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যাবে। প্রয়োজনে রোগীদের ব্লক হাসপাতালে রেফারও করা হবে। রোগীদের বর্তমান অবস্থাও নজরদারি চালাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এরফলে নিত্যদিন রোগীকে বাড়ি থেকে দূরের হাসপাতালে যেতে হবে না। একইসঙ্গে রোগীরাও নিজেদের শারীরিক সমস্যা নিয়ে সতর্ক হতে পারবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ডায়াবেটিস ও হাইপার টেনশনের মতো রোগ নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। বাসিন্দাদের আগাম সতর্ক করতেই এই স্পেশাল ড্রাইভে জোর দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ বছর বয়সের পরই হাইপার টেনশন ও ডায়াবেটিসের সমস্যা অনেক সময় দেখা যায়। তাই তাঁদের রোগ নির্ণয়ে আগাম ব্যবস্থা নিতেই স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে রক্ত চাপ মাপার ও ডায়াবেটিস পরীক্ষার যন্ত্র রয়েছে। বাসিন্দারা এলেই তা দিয়ে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষার ফল দেখে টেলি মেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যাবে। প্রয়োজনে রোগীদের ব্লক হাসপাতালে রেফারও করা হবে। রোগীদের বর্তমান অবস্থাও নজরদারি চালাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এরফলে নিত্যদিন রোগীকে বাড়ি থেকে দূরের হাসপাতালে যেতে হবে না। একইসঙ্গে রোগীরাও নিজেদের শারীরিক সমস্যা নিয়ে সতর্ক হতে পারবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ডায়াবেটিস ও হাইপার টেনশনের মতো রোগ নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। বাসিন্দাদের আগাম সতর্ক করতেই এই স্পেশাল ড্রাইভে জোর দেওয়া হয়েছে।



