নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: রাস্তার দাবিতে অবরোধ। গত আড়াই মাসে এই নিয়ে অন্তত তিনবার রাস্তার দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করল পুরুলিয়া শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, পুরুলিয়া-কোটশিলা রেলপথের দ্বিতীয় লাইন পাতার কাজ শুরু হয়েছে। তার জেরে রেলের হারাতে হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা। বিকল্প ব্যবস্থা না করেই দ্বিতীয় লাইন পাতার কাজ শুরু করেছে রেল। ফলে কয়েক হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। পুরুলিয়া শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে গিয়েছেন তাঁরা। পুলিস প্রশাসন থেকে শুরু করে রেলের শীর্ষ আধিকারিকদের জানানো সত্বেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই তারা ফের রাস্তা অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছেন।
Advertisement
বুধবার দুপুরে পুরুলিয়া-বরাকর পাঁচ নম্বর রাজ্য সড়কের গোশালায় এদিন পথ অবরোধ করেন ২১ নম্বর ওয়ার্ডের যমুনাবাঁধ, চুনাভাটি এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারাও। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে অবরোধ। পুরুলিয়া সদর থানার আইসি শিবনাথ পাল সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিস বাহিনী। পুলিসের আশ্বাসে ঘণ্টাখানেক পর আন্দোলন প্রত্যাহার করেন বাসিন্দারা। ওই সব জনপদগুলি ঘেঁষে রয়েছে পুরুলিয়া-কোটশিলা রেললাইন। গত আট’ন মাস হল পুরুলিয়া কোটশিলা ডবল লাইনের কাজ চলছে। যেদিকে লাইন পাতার কাজ চলছে, তার পাশে একটি রাস্তা ছিল। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নতুন লাইন পাতার কারণে পুরনো রাস্তা ভেঙে দিয়েছে রেল। রেল লাইন পারাপারের জন্য গোশালা মোড়ে আন্ডারপাস তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেই আন্ডারপাস পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য কোনও রাস্তা নেই। ফলে বাসিন্দারা কার্যত বিছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
অবরোধকারীদের অন্যতম মুখ সোনা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে রেলের বহু শীর্ষ আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছি। পুরুলিয়ার সাংসদকে জানিয়েছি। কেউই আমাদের আবেদন গ্রাহ্যই করছেন না।’ অবরোধ আন্দোলনে শামিল হওয়া স্বপন সিং বলেন, ‘কোনও রোগী অসুস্থ হলে এলাকায় কোনও অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারছে না। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে শুরু করে বাচ্চাদের স্কুলের গাড়ি আসছে না। প্রবল সমস্যা নিয়ে ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যেতে হচ্ছে।’ আন্দোলনকারী বিশ্বদেব মাহাত বলেন, ‘আমরা চাইছি দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করে আন্ডারপাসের সঙ্গে তা যেন যুক্ত করা হয়।’ জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘বাসিন্দাদের সমস্যার কথা রেলকে জানানো হয়েছে। সমাধানের সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অবরোধকারীদের অন্যতম মুখ সোনা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে রেলের বহু শীর্ষ আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছি। পুরুলিয়ার সাংসদকে জানিয়েছি। কেউই আমাদের আবেদন গ্রাহ্যই করছেন না।’ অবরোধ আন্দোলনে শামিল হওয়া স্বপন সিং বলেন, ‘কোনও রোগী অসুস্থ হলে এলাকায় কোনও অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারছে না। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে শুরু করে বাচ্চাদের স্কুলের গাড়ি আসছে না। প্রবল সমস্যা নিয়ে ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যেতে হচ্ছে।’ আন্দোলনকারী বিশ্বদেব মাহাত বলেন, ‘আমরা চাইছি দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করে আন্ডারপাসের সঙ্গে তা যেন যুক্ত করা হয়।’ জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘বাসিন্দাদের সমস্যার কথা রেলকে জানানো হয়েছে। সমাধানের সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।’



