সংবাদদাতা, মানিকচক: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি ও কর্মীর বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেতে উপভোক্তাকে গুনতে হবে ১৫ হাজার টাকা। তা না হলে মিলবে না অর্থ। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে পঞ্চায়েত কর্মীদের কথোপকথনের ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’)। অভিযুক্ত দুই কর্মীর বিরুদ্ধে মানিকচকের বিডিওকে লিখিত অভিযোগ করেছেন মথুরাপুরের বিধবা সোনিয়া মণ্ডল। সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি সামিউল হক ও কর্মী কৃষ্ণ মণ্ডল।
Advertisement
মথুরাপুর পঞ্চায়েতের খোসালদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সোনিয়া। কয়েক বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর নাবালক সন্তানকে নিয়ে থাকেন। অন্যের বাড়িতে কাজ করে তাঁর সংসার চলে। বাংলার বাড়ির তালিকায় নাম থাকায় প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন তিনি। অর্ধেক বাড়িও করে ফেলেছেন। দ্বিতীয় কিস্তির টাকায় কাজ সম্পূর্ণ করবেন সেই আশায় ছিলেন সোনিয়া। তাঁর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার মথুরাপুর পঞ্চায়েতের সামিউল ও কৃষ্ণ এসে তাঁর বাড়ির কাজ পরিদর্শন করে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন অভিযোগকারী তাঁদের বলে দেন টাকা দিতে পারবেন না। এনিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দরকষাকষি চলে। শেষে ১৫ হাজার টাকায় রফা হয়। না দিলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া যাবে না বলে জানান পঞ্চায়েত কর্মী কৃষ্ণ। এই কথোপকথন নিজের মোবাইলে ক্যামেরা বন্দি করেছিল বিধবার নাবালক সন্তান। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
বৃহস্পতিবার সোনিয়া মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি ও কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন মানিকচকের বিডিওর কাছে। তিনি বলেন, লোকের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাই। কোথায় পাব এত টাকা? ঋণ করে কিছু দিতে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু তারা ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করি এবং প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।
কৃষ্ণর মন্তব্য, কোনও বাড়ি পরিদর্শনে যাইনি। মহিলা মিথ্যে অভিযোগ করছেন। যদিও মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি সামিউল হক বলেন, আমি মহিলার বাড়ির পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। তিনি প্রথম কিস্তির টাকায় বাড়ি তৈরি করেননি। ফলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাবেন না বলে এই সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ করছেন। অন্যদিকে, অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী।
বৃহস্পতিবার সোনিয়া মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি ও কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন মানিকচকের বিডিওর কাছে। তিনি বলেন, লোকের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাই। কোথায় পাব এত টাকা? ঋণ করে কিছু দিতে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু তারা ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করি এবং প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।
কৃষ্ণর মন্তব্য, কোনও বাড়ি পরিদর্শনে যাইনি। মহিলা মিথ্যে অভিযোগ করছেন। যদিও মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি সামিউল হক বলেন, আমি মহিলার বাড়ির পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। তিনি প্রথম কিস্তির টাকায় বাড়ি তৈরি করেননি। ফলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাবেন না বলে এই সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ করছেন। অন্যদিকে, অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী।



