সংবাদদাতা, সিউড়ি: গুরুমন্ত্র নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হলেন এক গৃহবধূ। শুক্রবার বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে, দুবরাজপুর থানার যশপুর পঞ্চায়েতের কৃষ্ণনগর গ্রামে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ নির্যাতিতা তাঁর স্বামীর সঙ্গে গিয়ে দীক্ষা গুরুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগ পাওয়ার পরই দুবরাজপুর থানার পুলিস অভিযুক্ত দীক্ষাগুরুকে গ্রেপ্তার করেছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নির্যাতিতা গৃহবধূ তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন, গুরুমন্ত্র নেওয়ার জন্য শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তাঁরা কৃষ্ণনগর গ্রামে দীক্ষাগুরু উজ্জ্বল দাসের কাছে যান। ওই নির্যাতিতার বাড়ি ওই পঞ্চায়েত এলাকার সালুঞ্চি গ্রামে। সেই সময় আরও অনেকে গুরুর কাছে গিয়েছিলেন বলে গূহবধূ জানিয়েছেন। এক সময় ওই গৃহবধূকে গুরু তার নিজের ঘরে নিয়ে যান গুরুমন্ত্র দেওয়ার জন্য। বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তাঁর স্বামী। ওই ঘরেই গুরু তাঁকে ধর্ষণ করে বলে গৃহবধূর অভিযোগ। এই ঘটনা ঘটার পর প্রথমে লজ্জায় গৃহবধূ তাঁর স্বামীকে বিষয়টি জানাননি। কিন্তু বাতের দিকে তিনি গুরুর কুকীর্তির কথা স্বামীকে জানান। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে তিনি দুবরাজপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
পুলিস অভিযোগ পাওয়ার পরই অভিযুক্ত দীক্ষাগুরুকে গ্রেপ্তার করতে তার গ্রামের বাড়িতে যায়। কিন্তু সেখানে অভিযুক্ত ছিল না। পরে এলাকা থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ঘটনার পর ওই নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্টের জন্য তাঁকে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
শনিবার অভিযুক্ত দীক্ষাগুরুকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে তাকে চারদিনের পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। দুবরাজপুর থানার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, নির্যাতিতা তাঁর দীক্ষাগুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে এদিন সকালে গ্রামে ওই দীক্ষাগুরুর কুকীর্তির কথা জানাজানি হতেই হতভম্ব এলাকার বাসিন্দারা। একজন গ্রামবাসী বলেন, দীক্ষা নিতে গিয়ে কোনও মহিলা যদি গুরুর লালসার শিকার হন তাহলে কাকে বিশ্বাস করবে! এই ঘটনার তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
পুলিস অভিযোগ পাওয়ার পরই অভিযুক্ত দীক্ষাগুরুকে গ্রেপ্তার করতে তার গ্রামের বাড়িতে যায়। কিন্তু সেখানে অভিযুক্ত ছিল না। পরে এলাকা থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ঘটনার পর ওই নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্টের জন্য তাঁকে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
শনিবার অভিযুক্ত দীক্ষাগুরুকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে তাকে চারদিনের পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। দুবরাজপুর থানার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, নির্যাতিতা তাঁর দীক্ষাগুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে এদিন সকালে গ্রামে ওই দীক্ষাগুরুর কুকীর্তির কথা জানাজানি হতেই হতভম্ব এলাকার বাসিন্দারা। একজন গ্রামবাসী বলেন, দীক্ষা নিতে গিয়ে কোনও মহিলা যদি গুরুর লালসার শিকার হন তাহলে কাকে বিশ্বাস করবে! এই ঘটনার তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।



