নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: পুরসভার নির্ধারিত সর্বোচ্চ টোল ট্যাক্স ১০০টাকা। কিন্তু দুবরাজপুরের ইসলামপুরে জাতীয় সড়ক ধরে চলাচলকারী একাধিক ট্রাক থেকে ১৫০টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ পেয়ে পুরসভা কর্তৃপক্ষ আসরে নেমেছে। এই ঘটনায় কারা জড়িত তা জানতে কর্তৃপক্ষ তৎপর হয়ে উঠেছে। পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, এনিয়ে প্রয়োজনে পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান পীযূষ পাণ্ডে বলেন, কারা এধরনের কাজ করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
দুবরাজপুর পুরসভার তরফে সার্ভিস চার্জ হিসেবে পৃথক চারটি জায়গা থেকে টোল আদায় করা হয়। গতবছর সেপ্টেম্বরে দরপত্রের মাধ্যমে একটি সংস্থা টোল আদায়ের দায়িত্ব পায়। পুরসভার তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, চারচাকা পণ্যবাহী গাড়ির জন্য ২৫টাকা সার্ভিস চার্জ আদায় করা হবে। এছাড়াও ছ’চাকা ৫০টাকা, দশ চাকা ৬০টাকা ও তার অধিক গাড়ি থেকে ১০০টাকা করে সার্ভিস চার্জ আদায় করার কথা। সেই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পুরসভার তরফে শুরুতেই জারি করা হয়। তবে অভিযোগ, সম্প্রতি ইসলামপুর এলাকায় জাতীয় সড়ক ধরে চলাচলকারী একাধিক গাড়ি থেকে ১৫০টাকা আদায় করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে চালকদের হাতে রসিদও তুলে দেওয়া হচ্ছে। সেই রসিদে পুরসভার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও তাতে কোনও সই বা সিল নেই। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে পুরসভার একাধিক কাউন্সিলার সহ চেয়ারম্যান ঘটনাটি খতিয়ে দেখছেন। যদিও কারা এই ঘটনায় জড়িত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
চালকরা জানিয়েছেন, শনিবার রাতেও টোলে ১০০টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে রবিবার রাতে আচমকাই ১৫০টাকা চাওয়া হয়। রসিদও ধরিয়ে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়েই ১৫০টাকা দিতে হয়েছে। যদিও বরাত পাওয়া সংস্থার দাবি, পুরসভার নিয়ম মেনেই সর্বোচ্চ ১০০টাকা নেওয়া হয়। সংস্থার তরফে সামসুদ্দিন শেখ বলেন, এমন কোনও বিষয় জানা নেই।
চালকরা জানিয়েছেন, শনিবার রাতেও টোলে ১০০টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে রবিবার রাতে আচমকাই ১৫০টাকা চাওয়া হয়। রসিদও ধরিয়ে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়েই ১৫০টাকা দিতে হয়েছে। যদিও বরাত পাওয়া সংস্থার দাবি, পুরসভার নিয়ম মেনেই সর্বোচ্চ ১০০টাকা নেওয়া হয়। সংস্থার তরফে সামসুদ্দিন শেখ বলেন, এমন কোনও বিষয় জানা নেই।



