সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শুক্রবার মাথাভাঙা-২ ব্লকের লতাপোঁতা গ্রাম পঞ্চায়েতের গুমানিহাটে পথ অবরোধ করে কামতাপুর সংগ্রামী সমাজ নামে একটি সংগঠন। অবরোধকে ঘিরে এদিন সকাল থেকে বিশাল পুলিস বাহিনী এলাকায় ছিল। অবরোধ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিস। সেই সময় পুলিস ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে ৪৯ জন আন্দোলনকারীকে আটক করে ঘোকসাডাঙা থানার পুলিস। যদিও আন্দোলনকারীদের তরফে দাবি করা হয়েছে, এদিন অগণতান্ত্রিকভাবে তাদের কর্মী সমর্থকদের টানাহ্যাঁচড়া করেছে পুলিস। দাবি পূরণ না হলে তাঁরা আবারও আন্দোলন শুরু করবে।
Advertisement
এদিন মূলত দু’টি দাবিতে আন্দোলন শুরু করে কামতাপুর সংগ্রামী সমাজ। তাদের দাবি, বিগত বাম আমলে কামতাপুর আন্দোলনে নির্যাতিত পরিবারগুলির একজনকে চাকরি এবং প্রাথমিক থেকে দ্বদাশ শ্রেণি পর্যন্ত কাতাপুরী ভাষায় শিক্ষাদান চালু করতে হবে। এই দু’টি দাবিকে সামনে রেখেই এদিন পথে নামে সংগঠনটি।
সংগঠনের তরফে কংসরাজ বর্মন বলেন, বিগত বাম আমলে প্রচুর সাধারণ মানুষ বিনা কারণে জেল খেটেছেন। একাধিক মামলা দিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে । কেএলও জঙ্গি ও লিঙ্কম্যানদের যেভাবে পুনর্বাসন দিয়েছে সরকার, আমরা সেইভাবে পুনর্বাসন দেওয়ার দাবি জানিয়েছি। এরআগে লিখিতভাবে সেই দাবি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে শুধু স্বীকৃতি দিলেই হবে না, প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কামতাপুরী ভাষাকে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা ও শিক্ষক নিয়োগ করার দাবিও জানিয়েছি আমরা। এদিন পথে নামতেই পুলিস জোর করে আমাদের কর্মীদের তুলে নিয়ে যায়। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সংগঠনের নেতৃত্বর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করা হবে।
মাথাভাঙা মহকুমা পুলিস আধিকারিক সমরেন হালদার বলেন, লতাপোঁতার গুমানিহাটে রাস্তা অবরোধ করেছিল একটি সংগঠন। তাঁদের তুলে দেওয়া হয়। কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
সংগঠনের তরফে কংসরাজ বর্মন বলেন, বিগত বাম আমলে প্রচুর সাধারণ মানুষ বিনা কারণে জেল খেটেছেন। একাধিক মামলা দিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে । কেএলও জঙ্গি ও লিঙ্কম্যানদের যেভাবে পুনর্বাসন দিয়েছে সরকার, আমরা সেইভাবে পুনর্বাসন দেওয়ার দাবি জানিয়েছি। এরআগে লিখিতভাবে সেই দাবি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে শুধু স্বীকৃতি দিলেই হবে না, প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কামতাপুরী ভাষাকে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা ও শিক্ষক নিয়োগ করার দাবিও জানিয়েছি আমরা। এদিন পথে নামতেই পুলিস জোর করে আমাদের কর্মীদের তুলে নিয়ে যায়। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সংগঠনের নেতৃত্বর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করা হবে।
মাথাভাঙা মহকুমা পুলিস আধিকারিক সমরেন হালদার বলেন, লতাপোঁতার গুমানিহাটে রাস্তা অবরোধ করেছিল একটি সংগঠন। তাঁদের তুলে দেওয়া হয়। কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।



