দেশে হামলার ছকের নেপথ্যে দাউদের ডান হাত মুন্না ঝিংগাড়া
  • ১ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নেপথ্যে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ও ডি কোম্পানি অর্থাৎ আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের গ্যাং। দিল্লি, মুম্বই সহ দেশের একাধিক স্থানে নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ইতিমধ্যে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে নেপালের বাসিন্দাও। তাদের জেরা করেই এবার একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, এই টেরর মডিউলের অন্যতম হ্যান্ডলার ছিল মুন্না ঝিংগাড়া। দাউদের ডান হাত। যোগ রয়েছে শাহজাদ ভাট্টির গ্যাংয়েরও। এখানেই শেষ নয়। মুন্না ঝিংগাড়া, শাহজাদ ভাট্টি ছাড়াও মডিউলের মাথায় ছিল আরও দুই হ্যান্ডলার— দিলাবর খান ও আমির জাট। এই চারজনের বর্তমান ঠিকানা পাকিস্তান। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, তাদের নির্দেশে ধৃতরা দেশের একাধিক শহরে নাশকতার ছক কষেছিল।

Advertisement

তবে দুটো নাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে। মুন্না ঝিংগাড়া ও শাহজাদ ভাট্টি। মুন্না ঝিংগাড়া ওরফে সৈয়দ মুদাস্সর হুসেন আদতে মুম্বইয়ের যোগেশ্বরী এলাকার বাসিন্দা। শুরু থেকেই দাউদ ও ছোটা শাকিলের হয়ে কাজ করত মুন্না। গ্যাংস্টার অরুণ গাওলিকে মারার জন্যও এই শার্প শ্যুটারকে সুপারি দিয়েছিল দাউদ। ২০০০ সালের পরের দিকে ভুয়ো পাকিস্তানি পাসপোর্টে ঝিংগাড়াকে ব্যাংককে পাঠায় দাউদ। ছোটা রাজনকে খতম করাই ছিল লক্ষ্য। থাইল্যান্ডের পুলিশ ঝিংগাড়াকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বহু বছর ব্যাংককের জেলেই বন্দি ছিল মুন্না। সূত্রে খবর, ধৃত নেপালের বাসিন্দা লামা আং কামি ছিল মুন্নার বন্ধু। ব্যাংককের জেলেই লামার সঙ্গে মুন্নার আলাপ হয়।