Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ডেভিড ও জেসিনই অস্ত্র ইস্ট বেঙ্গলের, মাঠ দেখে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবে মোহন বাগান

শুক্রবার বিকেলে নিউটাউনের সেন্টার অব এক্সেলেন্সে ঘাসের মাঠে তিল ধারণের জায়গা নেই।  সেন্টার লাইনের বাঁ দিকে সন্দীপ মালিকরা বল পায়ে অনুশীলনে ব্যস্ত।

ডেভিড ও জেসিনই অস্ত্র ইস্ট বেঙ্গলের, মাঠ দেখে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবে মোহন বাগান
  • ২৬ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: শুক্রবার বিকেলে নিউটাউনের সেন্টার অব এক্সেলেন্সে ঘাসের মাঠে তিল ধারণের জায়গা নেই।  সেন্টার লাইনের বাঁ দিকে সন্দীপ মালিকরা বল পায়ে অনুশীলনে ব্যস্ত। আর ডানদিকে তখন দৌড় শেষ করে ফিজিক্যালের ট্রেনিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন আপুইয়া, লিস্টনরা। মাঠের বাইরে দাঁড়ানো মনবীরের দিকে গুটিগুটি পায়ে এগলেন সালাউদ্দিন। নিলেন টিপসও। সিনিয়রের অভিজ্ঞতাই যে তাঁর প্রয়োজন। একই ছবি ইস্ট বেঙ্গলে। মশাল বাহিনীর সিচুয়েশন প্র্যাকটিসের সময় এডমুন্ড ও সায়ন বারবার কথা বললেন গোলরক্ষক দেবজিৎ মজুমদারের সঙ্গে। 

Advertisement

কলকাতা লিগকে প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবে নিলেও ডার্বির গুরুত্ব বোঝে মোহন বাগান ম্যানেজমেন্ট। তাই সিনিয়র দলের কিয়ান নাসিরি, দীপ্যেন্দু বিশ্বাস, সুহেল ভাট ও গ্লেন মার্টিনকে এই ম্যাচে নামাতে চায় থিঙ্কট্যাঙ্ক। সেই মতো কোচ ডেগি কার্ডোজোর তত্ত্বাবধানে চূড়ান্ত মহড়া সারলেন চার সিনিয়র ফুটবলার। এদিন বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ম্যাচ সিচুয়েশন অনুশীলন করালেন সবুজ-মেরুনের গোয়ানিজ কোচ। ৪-৪-২ ছকেই ভরসা রাখছেন ডেগি। রক্ষণে কাস্তানা, দীপ্যেন্দু ও বিলালের সঙ্গে দেখা যেতে পারে রোশনকে। তবে মার্শল কিসকুকেও তৈরি রেখলেন কোচ ডেগি। মাঝমাঠে খেলা তৈরি করার দায়িত্ব থাকবে মিংমা ও সন্দীপের উপর। দুই উইংয়ে সালাউদ্দিন ও কিয়ান। পিভটের ভূমিকায় এদিন দীর্ঘক্ষণ অনুশীলন করতে দেখা গেল সুহেলকে। লক্ষ্যভেদের দায়িত্বে করণ ও আদিলের মধ্যে একজনকে ব্যবহার করবেন সবুজ-মেরুন কোচ। এদিন অনুশীলন শেষে মোহন বাগান কোচ ডেগি বলেন, ‘মাঠের অবস্থা বুঝে রণকৌশল ঠিক করা হবে।’ মাঠের হাল নিয়ে এদিন ফের সরব হলেন সবুজ-মেরুন কোচ। তাঁর মন্তব্য, ‘তবে এমন খারাপ মাঠে ম্যাচ দেওয়া নিয়ে ভাবা উচিত আইএফএ’র।’ মাঠ নিয়ে কোচের সুরেই গলা মিলিয়েছেন মোহন বাগানের সভাপতি দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন , ‘কল্যাণীতে এই ম্যাচ আয়োজন করে ডার্বির গুরুত্ব কমিয়ে দিল আইএফএ।’
শুধু মোহন বাগান নয়, কল্যাণীর মাঠ নিয়ে মুখ খুললেন ইস্ট বেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারও। তাঁর মন্তব্য, ‘ম্যাচটা যুবভারতীতে হলে ভালো হতো। এই ম্যাচে যে হিম্মত দেখাবে তারাই জিতবে।’ তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে জয়ে ফেরার লক্ষ্যে মশাল বাহিনীও ছ’জন সিনিয়র ফুটবলারকে রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে। গোলে দেবজিৎ মজুমদারের উপর ভরসা রাখছে ম্যানেজমেন্ট। ডিফেন্সে বিক্রম, প্রভাত, মার্তণ্ড ও সুমন শুরু করতে পারেন। মাঝমাঠে নসিব ও তন্ময়ের সঙ্গে দুই উইংয়ে এডমুন্ড ও সায়নকে দেখা যাবে। গোলের জন্য কোচ বিনো জর্জের প্রধান অস্ত্র জেসিন ও ডেভিড। এই ম্যাচে বিষ্ণুকে খেলাতে মরিয়া ছিল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু চোটের কারণে তিনি নেই। আসলে টানা পয়ন্টে খুইয়ে চাপে আছেন তিনি। ডার্বি জিতে পরিস্থিতি হাল্কা করতে মরিয়া বিনো।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ