Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গঙ্গাসাগর সেতু প্রকল্পে এবার যুক্ত হচ্ছে ডেনমার্কের বিশেষজ্ঞ সংস্থা, লক্ষ্য নিরাপত্তা

জানুয়ারি মাসে গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই নির্মাণকাজ শুরুর প্রক্রিয়া চলছে জোরকদমে।

গঙ্গাসাগর সেতু প্রকল্পে এবার যুক্ত  হচ্ছে ডেনমার্কের বিশেষজ্ঞ সংস্থা, লক্ষ্য নিরাপত্তা
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জানুয়ারি মাসে গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই নির্মাণকাজ শুরুর প্রক্রিয়া চলছে জোরকদমে। এই সেতুকে ত্রুটিহীনভাবে গড়ে তুলতে এবার ডেনমার্কের বিশেষজ্ঞ সংস্থা সিওডব্লুউআই বা কই-এর সাহায্য নিচ্ছে নবান্ন। 

Advertisement

দরপত্র ডেকে প্রায় পাঁচ কিমি দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো-কে। নির্মাণকাজ শুরুর অপেক্ষায়। তবে তার আগে নকশাকে আরও একবার যাচাই এবং নির্মাণকাজ চলাকালীন পর্যবেক্ষণের জন্য আরও একটি সংস্থাকে নিয়োগের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সেই কাজের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় নবরত্ন সংস্থা রাইটসকে দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। রাইটসের মাধ্যমেই ডেনমার্কের ওই সংস্থাকে দিয়ে সেতুর নকশা চূড়ান্ত করার পথেই এগোচ্ছে রাজ্যের পূর্তদপ্তর। কিন্তু, কেন ডেনমার্কের সংস্থা? বিশেষজ্ঞদের মতে, মুড়িগঙ্গার মতো এত চওড়া নদীর উপর চার লেনের এত দীর্ঘ খুব কমই রয়েছে। এই ধরনের সেতুর নকশা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে ডেনমার্কের সংস্থাটি পৃথিবী বিখ্যাত। এক আধিকারিকের সংযোজন, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই সেতু ব্যবহার করে মূল ভূখণ্ড থেকে সাগরদ্বীপে যাতায়াত করবেন। ফলে আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছি না। মানুষের সুরক্ষার থেকে বড়ো আর কিছু হতে পারে না। আর একবার সেতু নির্মাণ হয়ে গেলে কারওর কিছু করা থাকবে না। তাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সংস্থার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তারা ‘অ্যাপ্রুভাল অব ডিজাইন’ দিলে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে যাবে। সেভাবেই অন্যান্য প্রক্রিয়া সেরে রাখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
রাইটসের মাধ্যমে এই কাজ করার ক্ষেত্রে রাজ্যের অর্থদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন। যা দ্রুত পাওয়া যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রায় ১,৬৭০ কোটি টাকা খরচ করে এই সেতু নির্মাণ করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কেন্দ্র কথা দিয়েও না রাখায়, রাজ্যের কোষাগার থেকে খরচ করেই এই সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় নবান্ন। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের জন্য জমি কেনার কাজ প্রায় শেষ। চূড়ান্ত যাচাই বা অ্যাপ্রুভাল অব ডিজাইন-এর প্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই রাজ্যবাসীকে এই সেতু উপহার দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ