Bartaman Logo
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভরা কোটাল ও নিম্নচাপের জেরে নামখানা-সাগরে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ

একদিকে পূর্ণিমার ভরা কোটাল, অন্যদিকে গভীর নিম্নচাপ। জোড়া প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে নদী ও সমুদ্র। ঢেউয়ের দাপটে এবং জলস্তর বৃদ্ধি হওয়ার কারণে নামখানা, সাগর ও পাথরপ্রতিমার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভরা কোটাল ও নিম্নচাপের জেরে নামখানা-সাগরে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ
  • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: একদিকে পূর্ণিমার ভরা কোটাল, অন্যদিকে গভীর নিম্নচাপ। জোড়া প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে নদী ও সমুদ্র। ঢেউয়ের দাপটে এবং জলস্তর বৃদ্ধি হওয়ার কারণে নামখানা, সাগর ও পাথরপ্রতিমার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কয়েকটি এলাকায় জলোচ্ছ্বাসও হয়েছে। এছাড়াও কিছু জায়গায় নদীবাঁধে ধস নেমেছে। জানা গিয়েছে, নামখানার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়াড়া সল্টঘেরি এলাকায় প্রায় ২০০ মিটার সমুদ্রবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পয়লাঘেরিতে প্রায় ৫০ মিটার বাঁধ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা শ্যামসুন্দর হালদার বলেন, ‘রাতে নদী ও সমুদ্রের জল আরও বাড়বে। খুব ভয়ে রয়েছি। প্রবল ঢেউয়ের দাপটে নদীবাঁধ নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে। রাতে জল আরও বাড়লে ও ঝোড়ো হাওয়া বইলে ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে।’ অন্যদিকে, পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুরে সমুদ্রবাঁধ টপকে নোনা জল ঢুকছে। অচিন্ত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের জিরো পয়েন্টে প্রায় ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে নদীবাঁধে ধস নেমেছে। সাগরের সুমতিনগরে জলোচ্ছ্বাসের ফলে নদীবাঁধ টপকে গ্রামে জল ঢুকে পড়ে। এখানে নদীবাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মনসাবাজার এলাকায় নদীবাঁধের বেশ কিছুটা অংশে ধস নেমেছে। বিষয়টি জানার পরই গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশ আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত নদীবাঁধগুলিতে আপৎকালীন ভিত্তিতে মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। সেচ দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মীদের সজাগ থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকার কারণে শুক্রবার মুড়িগঙ্গা নদীতে দীর্ঘক্ষণ ভেসেল চলাচল বন্ধ রাখতে হয়।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ