সংবাদদাতা, ঘাটাল: স্লুইস গেট তৈরির জন্য পাঁচপাঁচটি জায়গায় কাটা হয়েছে নদীবাঁধ। তাই মঙ্গলবার বর্ষা শুরু হতেই ঘাটাল মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের রাতের ঘুম ছুটে গিয়েছে। কারণ শিলাবতী, কংসাবতী কিংবা রূপনারায়ণ নদে একটু জলস্ফীতি হলেই ওই কাটা অংশগুলি দিয়ে জল ঢুকে ঘাটাল মহকুমা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।যদিও বিষয়টি নিয়ে এতটা আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছেন ঘাটাল মহকুমা সেচ ও জলপথ দপ্তরেরঅ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল মাখাল। তিনি বলেন, পাঁচটি স্লুইস গেট তৈরির জন্য বাঁধ কাটা অবস্থায় থাকলেও দু’টি গেট প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে।বাকি তিনটি গেট তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।তাছাড়া, প্রত্যেকটি জায়গায় মাটি মজুত রয়েছে। নদীর জলস্ফীতি হলে তা রুখে দেওয়ার মতো পরিকাঠামো তৈরি রয়েছে। ঘাটাল মহকুমার দাসপুর-১ ও দাসপুর-২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা, ঘাটাল ব্লকের দু’টি গ্রামপঞ্চায়েত এবং ঘাটাল পুরসভার পাঁচটি ওয়ার্ড শিলাবতী, রূপনারায়ণ এবং কংসাবতী নদী বাঁধ দ্বারা ঘেরা রয়েছে। ওই ঘেরা এলাকাটিকে ৮১ মৌজা বলা হয়। ৮১ মৌজার মধ্যেই তিনটি বড় সরকারি হাসপাতাল, মহকুমা শাসকের কার্যালয়, দু’টি থানা, দু’টি ব্লক, দু’টি কলেজে, বহু স্কুল, বিদ্যুৎ দপ্তরের তিনটি সাবস্টেশন সহ বহু সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওবসতবাড়িরও রয়েছে। এর আগে ওই নদীগুলির বাঁধ ভাঙলে তবেই ৮১ মৌজা প্লাবিত হতো। কিন্তু এবার নদী বাঁধ কাটা থাকায় জল বাড়লেইমহকুমা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে বাসিন্দারা মনে করছেন।



