Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দেবীর গজে আগমনের দৃশ্য ফুটিয়ে তুলছে ডালখোলা বাঘাযতীন ক্লাব

দেবী দশভুজা মর্তে আগমনের জন্য চার ধরনের বাহন ব্যবহার করেন। এবার তিনি গজ- অর্থাৎ হস্তী বা হাতিতে আগমন করছেন।

দেবীর গজে আগমনের দৃশ্য ফুটিয়ে তুলছে ডালখোলা বাঘাযতীন ক্লাব
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর: দেবী দশভুজা মর্তে আগমনের জন্য চার ধরনের বাহন ব্যবহার করেন। এবার তিনি গজ- অর্থাৎ হস্তী বা হাতিতে আগমন করছেন। দেবীর সেই আগমনের দৃশ্য এবার দেখা যাবে ডালখোলা শহরের বাঘাযতীন ক্লাবের পুজোয়। সেই সঙ্গে থাকছে চন্দননগরের আলোকসজ্জা।

Advertisement

হাতে আর সময় নেই। নাওয়াখাওয়া ফেলে চরম ব্যস্ততার মধ্যে পুজো আয়োজনে ব্যস্ত উদ্যোক্তারা। নিঃশ্বাস ফেলারও যেন সময় নেই তাঁদের কাছে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, কাল্পনিক একটি মন্দিরের আদলে তৈরি করা হচ্ছে মণ্ডপ।  ওই মণ্ডপ আসলে একটি বিশাল রথ। সিংহ বাহিনী দেবী দুর্গা ছেলেমেয়ে নিয়ে সেই রথে থাকবেন। বিশাল আকারের এক গজ বা হাতিকে সেই রথ টানতে দেখা যাবে। মণ্ডপ শিল্পীদের নিখুঁত কারুকার্যে এভাবেই দেবীর গজে আগমন ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়,  বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বার্তাও এই পুজোর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাঘাযতীন ক্লাবের পুজো কমিটির সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস বলেন, এবার আমাদের পুজোর ৪১তম বর্ষ। প্রতি বছরের মতো এবারও পুরসভা কর্তৃপক্ষ আমাদের পুজোর ব্যবস্থাপনায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশাসন ও পুলিস প্রশাসনও সহযোগিতা করছে। আমাদেরও লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখা সকলের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। এবার আমাদের বাজেট ১০ লক্ষ টাকা। বাসিন্দারা বলছেন, ডালখোলার মতো ছোট শহরে প্রতি বছর বিগ বাজেটের পুজো করে তাক লাগিয়ে দেয় বাঘাযতীন ক্লাব। মানুষজন মুখিয়ে থাকে সেখানকার পুজো মণ্ডপ দর্শনের জন্য। পুজো কমিটির সম্পাদক অভিজিৎ সাহা বলেন, উত্তরবঙ্গে যে সমস্ত জিনিস সহজলভ্য তা দিয়েই মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। মণ্ডপ তৈরিতে বাঁশ, পাটি, চট ব্যবহার করা হয়েছে। দেবী এবার গজে আসছেন। সেই দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। ২০ ফুট উচ্চতার হাতি থাকছে মণ্ডপের সামনে। গজ দেবীর বাহন। কিন্তু বাস্তবে চোরাশিকারিদের হাতে বন্যপ্রাণীদের মৃত্যু হচ্ছে। তাই আমরা এবার পুজোয় বার্তা যাতে বন্যপ্রাণীদের চোরাশিকারিদের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন সদর্থক পদক্ষেপ নেয়।
পুজা কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, অষ্টমীর দিন ভোগ প্রসাদ বিতরণ হবে। এবার দশমীর দিন দেবীর বিসর্জন দেওয়া হবে না। সেদিন মণ্ডপে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। শিশুদের মধ্যে শিক্ষার সামগ্রী বিলি করা হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ