নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় হারে না দিলেও কোন বিধিতে (রুল) রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) দেওয়া হয়? বৃহস্পতিবার শুনানি চলাকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার অহেতুক ধোঁয়াশা তৈরি করছে বলেও মামলার পর্যবেক্ষণে তির্যক মন্তব্য করে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চে চলছে শুনানি। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি। এদিন শুনানিতে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তাঁর সওয়াল শুনে বিচারপতি মিশ্র বলেন, অহেতুক ধন্দ তৈরি করছে রাজ্য। বেতন কমিশনের সুপারিশ মানা হচ্ছে না। মূল্যবৃদ্ধির সূচকও ঠিকমতো অনুসরণ করা হচ্ছে না। ফলে নিজেরাই বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। যদিও রাজ্যের আইনজীবী তা অস্বীকার করে জানান, ডিএ দেওয়ার আগে মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। বাজেটও দেখতে হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্যের নীতি আলাদা। তাছাড়া রাজ্যের কর্মচারীদের কিসের ভিত্তিতে ডিএ দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাজ্যের রয়েছে। কেন্দ্রীয় হারেই ডিএ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের হয়ে এদিন সওয়াল করেন করুণা নন্দী, রউফ রহিম। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্য কোনও নিয়মের তোয়াক্কা করে না। মূল্যবৃদ্ধির কারণে যে হারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্য বর্ধিত হারে ডিএ দেওয়া প্রয়োজন। যদিও রাজ্য এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। আগামী শুনানিতে রাজ্য কী বলে, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে সরকারি কর্মীরা।



