সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: মহুল থেকে সুরা বানানোর যে উদ্যোগ ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন নিয়েছিল দেড় বছর আগে, সেই উদ্যোগ এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ওই প্রস্তাব এখনও অনুমোদন পায়নি বলে জেলা প্রশাসন ও জেলা আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। এই উদ্যোগ চালু হলে জেলার আর্থিক উন্নতি ঘটবে। বেআইনি চোলাই মদের বাড়বাড়ন্ত কমবে। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় কর্মসংস্থানের নতুন দিশা খুলে যাবে বলেও আশা। ঝাড়গ্রামের অতিরিক্ত জেলাশাসক ( জেনারেল) গোবিন্দ দত্ত বলেন, বিষয়টি কোন পরিস্থিতিতে রয়েছে তা আবগারি দপ্তরের সাথে কথা বলে দেখছি।
Advertisement
জঙ্গলমহলের মহুলের মদ বিষয়টি পর্যটকদের কাছে খুবই পরিচিত। কিন্তু এই মদ বেআইনি। তাই চোলাই মদ ঠেকাতে আবগারি দপ্তরকে লাগাতার অভিযান চালাতে হয়। সরকারি ভাবে প্ল্যান্টে তৈরি করে এই মদ যাতে অনুমোদিত দোকানে বিক্রি হয় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে প্রশাসন। দেড় বছর আগে জেলা প্রশাসন থেকে এই নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়।
তৎকালীন ঝাড়গ্রামের অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেনারেল) পীযূষ গোস্বামী ‘বর্তমান’ পত্রিকাকে জানিয়েছিলেন, খুব তাড়াতাড়ি মহুল থেকে মদ তৈরির প্রক্রিয়া চালু হবে। এর ফলে বেআইনিভাবে মদ তৈরিও কমবে। জেলায় কর্মসংস্থান বাড়বে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক হয়েছে।
বংশ পরম্পরায় আদিবাসীরা মহুলের ফুল শুকিয়ে, ‹বাখর› গুড় মিশিয়ে ‹জাব› তৈরি করে পাতন পদ্ধতিতে এই মদ তৈরি করে। প্রত্যন্ত এলাকায় কম দামে হাতের নাগালে এই মদ পাওয়া যায়। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর এলাকা বাদে প্রায় বেশিরভাগ ব্লকেই মহুল পাওয়া যায়। অনেকের বাড়িতেও একাধিক মহুল গাছ রয়েছে। জঙ্গলের গাছ থেকেও এলাকাবাসী মহুল সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা রোজগার করেন। মহুল মদের মাইক্রো প্ল্যান্ট দেখিয়ে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানো, অনুমোদিত দোকানগুলিতে বোতলবন্দি মহুলের মদ বিক্রি হলে সরকারের আয় বাড়বে। মহুল বিক্রেতারা প্রকৃত দাম পাবেন। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় কর্মসংস্থান বাড়বে এই উদ্দেশ্যেই দে’ড় বছর আগে জেলা প্রশাসন থেকে এই মদ তৈরির প্ল্যান্টের প্রস্তাব রাজ্যে পাঠানো হয়।
জেলা আবগারি আধিকারিক তনয় গুহ বলেন, প্রস্তাব আকারে বিষয়টি দেওয়া আছে। তবে এখনও অনুমোদন হয়নি। ওড়িশা সহ বেশকিছু রাজ্যের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় এ ধরনের প্রকল্পে তাদের কর্মসংস্থানের সুবিধা রয়েছে। সেইমতো জেলা প্রশাসন থেকে এই নিয়ে একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।
তৎকালীন ঝাড়গ্রামের অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেনারেল) পীযূষ গোস্বামী ‘বর্তমান’ পত্রিকাকে জানিয়েছিলেন, খুব তাড়াতাড়ি মহুল থেকে মদ তৈরির প্রক্রিয়া চালু হবে। এর ফলে বেআইনিভাবে মদ তৈরিও কমবে। জেলায় কর্মসংস্থান বাড়বে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক হয়েছে।
বংশ পরম্পরায় আদিবাসীরা মহুলের ফুল শুকিয়ে, ‹বাখর› গুড় মিশিয়ে ‹জাব› তৈরি করে পাতন পদ্ধতিতে এই মদ তৈরি করে। প্রত্যন্ত এলাকায় কম দামে হাতের নাগালে এই মদ পাওয়া যায়। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর এলাকা বাদে প্রায় বেশিরভাগ ব্লকেই মহুল পাওয়া যায়। অনেকের বাড়িতেও একাধিক মহুল গাছ রয়েছে। জঙ্গলের গাছ থেকেও এলাকাবাসী মহুল সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা রোজগার করেন। মহুল মদের মাইক্রো প্ল্যান্ট দেখিয়ে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানো, অনুমোদিত দোকানগুলিতে বোতলবন্দি মহুলের মদ বিক্রি হলে সরকারের আয় বাড়বে। মহুল বিক্রেতারা প্রকৃত দাম পাবেন। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় কর্মসংস্থান বাড়বে এই উদ্দেশ্যেই দে’ড় বছর আগে জেলা প্রশাসন থেকে এই মদ তৈরির প্ল্যান্টের প্রস্তাব রাজ্যে পাঠানো হয়।
জেলা আবগারি আধিকারিক তনয় গুহ বলেন, প্রস্তাব আকারে বিষয়টি দেওয়া আছে। তবে এখনও অনুমোদন হয়নি। ওড়িশা সহ বেশকিছু রাজ্যের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় এ ধরনের প্রকল্পে তাদের কর্মসংস্থানের সুবিধা রয়েছে। সেইমতো জেলা প্রশাসন থেকে এই নিয়ে একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।



