Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দেড় বছরে দেড় কোটির কাজ লালগড় পঞ্চায়েতে

দেড় বছরে দেড় কোটির কাজ লালগড় পঞ্চায়েতে
  • ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: নতুন পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের দেড় বছরও হয়নি, ইতিমধ্যেই লালগড় পঞ্চায়েতে ১ কোটি ৫১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার কাজ হয়েছে। একদা সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর লালগড়ের এই উন্নয়নযজ্ঞের কথা জানিয়ে পঞ্চায়েত প্রধান সুনীল মুর্মু বলেন, গ্রামে পানীয় জল, ড্রেন, ঢালাই রাস্তা, কালভার্ট সমস্ত রকমের কাজ হয়েছে। লালগড় ফরেস্ট অফিসের উল্টো দিকে ১৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে মার্কেট কমপ্লেক্স। 
Advertisement
বাম আমলে একদিকে মাওবাদীদের, অন্যদিকে পুলিসের যাঁতাকলে পিষ্ট হতেন গরিব আদিবাসীরা। অন্যদিকে ছিল সিপিএমের হার্মাদ বাহিনী। গরিবি, অনুন্নয়ন আর অত্যাচারে স্থানীয় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। প্রত্যন্ত এলাকার পরিকাঠামো একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় এলে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু হয় গোটা  জঙ্গলমহলে। শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়। গত বিধানসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন ও লোকসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকে। মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সার্বিক উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই লালগড় এলাকার মানুষের মন জয় করে তৃণমূল। সব সন্ত্রাস ভুলে সবাই উন্নয়নে শামিল হয়। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে বোর্ড গঠনের দেড় বছরের মধ্যে লালগড় গ্রাম পঞ্চায়েতে দেড় কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে, লালগড় বুঢ়া বাবার থান সংস্কার, করমশোল গ্রামে পানীয় জলের ব্যাবস্থা, বাঘাগুড়ি, রাঙামাটিয়া ও পূর্ণাপানি গ্রামে ড্রেন, তাড়কির খালের উপর কালভার্ট, রাউতাড়া ও করমশোল গ্রামে ঢালাই রাস্তা তৈরি হয়েছে। পূর্ণাপানি গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, সেই সন্ত্রাসের কথা মনে হলে রাতে এখনও ঘুম আসে না। গ্রামের মানুষ কীভাবে অত্যাচারিত হয়েছে, তা ভাষায় বোঝাতে পারব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করে, রেশনে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। অনেক মানুষ তাই কোমর সোজা করে দাঁড়িয়েছে। সুনীলবাবু আরও বলেন, এলাকার মানুষ যা যা কাজের দাবি জানিয়েছেন, আমরা তা সবই পুরণ করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি। তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী জনদরদী। উন্নয়নযজ্ঞের জন্যই তিনি জঙ্গলমহলের ঘরে ঘরে জায়গা করে নিয়েছেন।
সম্পর্কিত সংবাদ