সংবাদদাতা, বনগাঁ: অবশেষে শুরু হল রাস্তার দু’পাশে বিপজ্জনকভাবে থাকা মরা গাছগুলিকে কাটা। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এই কাজ শুরু করেছে। বনগাঁ পুরসভা এলাকায় থাকা যশোর রোডের পাশের একাধিক মরা বিপদজ্জনক গাছ কেটে ফেলা হবে। আগেই বনগাঁ শহরে যশোর রোডের দু’পাশে থাকা মৃত ও বিপজ্জনক গাছগুলিকে কেটে ফেলার উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রশাসনের আধিকারিকরা মরা গাছগুলিকে চিহ্নিত করেন। বর্ষার আগেই এই বিপজ্জনকভাবে থাকা গাছগুলি কাটার জন্য বনগাঁ পুরসভার পক্ষ থেকে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে আবেদন করা হয়েছিল। তার ভিত্তিতে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, বনদপ্তর ও পূর্তদপ্তরের আধিকারিক ও পুর কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসে। আলোচনায় ঠিক হয়, বিপজ্জনক গাছগুলি দ্রুত কেটে ফেলা হবে। সেই অনুসারে ওই গাছগুলি কাটা শুরু হয়েছে।
বনগাঁ শহরে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সড়কের পাশে বিপজ্জনকভাবে ছিল একাধিক শতাব্দী প্রাচীন গাছ। অতীতে গাছগুলির মরা, শুকনো ডাল ভেঙে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গাছের ডাল ভেঙে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে বেশ কয়েকজনের। তাই এমন দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতা অবলম্বন করেছে প্রশাসন। শুরু হয়েছে গাছ কাটা।
এবিষয়ে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, রাস্তার দু’পাশে একাধিক মরা গাছ বিপজ্জনকভাবে রয়েছে। এর ফলে যে কোনও সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমরা বারবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে সেগুলি কেটে ফেলার জন্য বলেছিলাম।
যশোর রোডের দু’পাশে থাকা শতাব্দী প্রাচীন একাধিক গাছ কাটা নিয়ে অতীতে প্রশাসনের সঙ্গে বৃক্ষপ্রেমীদের আইনি লড়াই হয়েছে। প্রথম থেকেই বৃক্ষপ্রেমীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন যে, মরা গাছ কাটা হোক। তবে তাঁদের আবেদন, মরা গাছের আড়ালে যেন জীবিত গাছ কাটা না হয়।