Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জনস্রোত বরানগর থেকে কাঁচড়াপাড়ায়

বাঙালির রক্তে রয়েছে ফুটবল আর দুর্গাপুজো। সারাবছর এই দিনগুলির জন্য অপেক্ষা করে থাকে মানুষ। তৃতীয়া থেকেই মানুষের ঢল নামে মণ্ডপে মণ্ডপে।

জনস্রোত বরানগর থেকে কাঁচড়াপাড়ায়
  • ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বাঙালির রক্তে রয়েছে ফুটবল আর দুর্গাপুজো। সারাবছর এই দিনগুলির জন্য অপেক্ষা করে থাকে মানুষ। তৃতীয়া থেকেই মানুষের ঢল নামে মণ্ডপে মণ্ডপে। বরানগর থেকে কাঁচড়াপাড়া, বিভিন্ন মণ্ডপে পঞ্চমীর সন্ধ্যায় উপচে পড়া ভিড়। কাঁচড়াপাড়ায় নবাঙ্কুর ক্লাব, ষোলোর পল্লি, বিশ্বনাথ স্মৃতি সমাজ সংঘের থিমের মণ্ডপ দেখতে কাতারে কাতারে মানুষ। হালিশহরের বলাকা শিশুমহল দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের আদলে তৈরি করেছে মণ্ডপ। তা দেখতে লম্বা লাইন। বারাকপুরের মধ্যনোনা, যুবশক্তির মানস, সুকান্ত সরণি তালবাগান, রয়াল পার্ক রীতিমতো কলকাতাকে টেক্কা দিচ্ছে। আবার সোদপুরের পানশিলা ঠাকুরবাড়িতে থিম, শ্রীচরণেষু। বেলঘরিয়া তাজমহল তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ভিড় টানতে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে বরানগরের ন’পাড়া দাদাভাই সংঘ এবং লোল্যান্ড নেতাজি সংঘের মধ্যে। পঞ্চমীতেই মণ্ডপে ভিড় সব বয়সের মানুষের। বারাকপুরে মণ্ডলপাড়া পুজো মণ্ডপে ঢাক বাজান বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। ঢাকের তালে নাচেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক।

Advertisement

পাশাপাশি বনেদি বাড়িগুলিতেও জোরকদমে পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। নৈহাটির শ্যামাসুন্দরীতলায় গোপাল ঠাকুরের বাড়ি বলে পরিচিত ভট্টাচার্য বাড়ির পুজো ৩২৪ বছরে পড়ল। ওই বাড়ির অন্যতম কর্তা মানস ভট্টাচার্য বলেন, পুজোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, আড়াইশো বছর আগে সন্ধিপুজোর সময় মা উগ্র রূপ ধারণ করেছিলেন। রীতি অনুযায়ী, সে সময় কোনও বালক-বালিকা থাকতে পারে না। কিন্তু দু’জন বালক সে সময় ছিল, পরে তারা উধাও হয়ে যায়। পরের দিন দুর্গা পুরোহিতকে স্বপ্নাদেশ দিয়ে বলেন, ওই দুই বালককে আমি গ্রাস করেছি। কাল থেকে কার্তিক, গণেশকে আমার পাশে রাখবে না। সেই থেকে আমাদের বাড়িতে কার্তিক, গণেশকে বাদ দিয়ে পুজো হয়। লক্ষ্মী-সরস্বতীর কোনও বাহন থাকে না। অসুরের গায়ের রং কচি কলাপাতা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ