সংবাদদাতা, বেলদা: কেশিয়াড়িতে দীঘার জগন্নাথদেবের মন্দিরের প্রসাদ তৈরি করতে পড়শি রাজ্য ওড়িশা থেকে তুলে আনা হয়েছে একাধিক মিষ্টির কারিগর। প্রসাদের গুণমান ও পবিত্রতা বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ ব্লক প্রশাসনের। ওই কারিগরদের দিয়ে ব্লক অফিস সংলগ্ন রবীন্দ্রভবনে তৈরি করানো হচ্ছে প্রসাদ। পবিত্রতা বজায় রাখতে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। রয়েছে নাম সংকীর্তনেরও ব্যবস্থা।
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদের মতো দীঘার মন্দিরের প্রসাদের বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতেই গজা ও প্যাঁড়া সন্দেশ বানানোর জন্য ওড়িশা থেকে আনা হয়েছে কারিগর। শুদ্ধতা ও পবিত্রতা বজায় রাখতে ব্লক অফিস সংলগ্ন রবীন্দ্র ভবনে তৈরি করা হচ্ছে প্রসাদ। ব্লক প্রশাসনের দাবি, স্বচ্ছতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যবস্থা। যে ক’দিন রবীন্দ্র ভবনে প্রসাদ তৈরি হবে, সেই ক’দিন ওই চত্বরে জুতো পরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের রেশন ডিলারদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে প্রসাদের প্যাকেট। রয়েছে জগন্নাথ দেবের নাম সংকীর্তনের ব্যবস্থা।
বিডিও হিতাংশু হালদার বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে সাধারণ মানুষের হাতে প্রসাদ তুলে দিতে। আর তাই দোকানের বদলে রবীন্দ্রভবনে আমাদের নজরদারিতে এই প্রসাদ তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের ব্লকের ২১ হাজার ৫০০ জনের হাতে প্রাথমিকভাবে এই প্রসাদ তুলে দেওয়ার টার্গেট রয়েছে। যার মধ্যে ৩৬ জন ডিলারের হাতে প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকিটাও সম্পূর্ণ করে দেওয়া হবে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উত্তম সিট বলেন, আমাদের জেলার কোনও ব্লকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমরা প্রথম থেকেই প্রসাদের পবিত্রতা ও শুদ্ধতা বজায় রাখা চেষ্টা করেছি। আশা রাখছি, মুখ্যমন্ত্রীর মহান উদ্যোগ আমরা সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ করতে পারব। নিজস্ব চিত্র