Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাড়ি বাড়ি পানীয় জল দেওয়ার আগেই পাইপে ফাটল, আক্রমণ বিরোধীদের

‘অম্রুত’ প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয়জল পৌঁছে দেওয়ার আগেই পাইপে ফাটল। আর এনিয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে বিরোধীরা।

বাড়ি বাড়ি পানীয় জল দেওয়ার আগেই পাইপে ফাটল, আক্রমণ বিরোধীদের
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ‘অম্রুত’ প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয়জল পৌঁছে দেওয়ার আগেই পাইপে ফাটল। আর এনিয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে বিরোধীরা। সিপিএমের তোপ, ২০২৩ সালের মার্চে শহরবাসীর বাড়িতে পরিস্রুত পানীয়জল পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। পাইপ পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে ফাটল দেখা দিচ্ছে। বিজেপির আক্রমণ, নিম্নমানের কাজ হওয়ায় এই অবস্থা। কংগ্রেসের দাবি, জলপাইগুড়ি শহরে অম্রুত প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি এবং বরাদ্দ নিয়ে জানতে চাইলেও প্রশাসনের কাছ থেকে উত্তর মেলেনি। বুধবার জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় অবশ্য বলেন, তিস্তা নদী থেকে জল তুলে তা পরিশোধনের পর বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে এখন ট্রায়াল রান চলছে। এই পর্যায়ে পাইপ ফাটবে, পাইপে লিকেজ বের হবে। এটাই প্রত্যাশিত।

Advertisement

জলপাইগুড়ি শহরে অম্রুত প্রকল্পের জল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা চলছে বলে অভিযোগ। গত ১৪ নভেম্বর চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিয়ে সৈকত চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শহরবাসীর বাড়িতে জল পৌঁছে যাবে। কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর রায়কতপাড়ায় একটি রিজার্ভার উদ্বোধন করে চেয়ারম্যান জানান, পাইপ লাইন পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করে ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত জল দেওয়া সম্ভব নয়। এনিয়ে বিরোধীরা সরব হন। এরইমধ্যে ট্রায়াল দিতে গিয়ে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি শহরের মোহন বাগান সরণিতে জলের পাইপে ফাটল দেখা দেয়। যার জেরে বিপত্তি দেখা দেয়। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সেজন্য এদিন শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাইপ লাইন পরিদর্শন করেন পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগের ইঞ্জিনিয়াররা।
বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামীর তোপ, কতটা নিম্নমানের কাজ হয়েছে, জল সরবরাহের আগেই পাইপ ফেটে যাওয়ার ঘটনা তা প্রমাণ করল। সিপিএমের জেলা সম্পাদক পীযূষ মিশ্রের বক্তব্য, পাইপে ফাটল মেরামতের নামে আবারও অর্থ বরাদ্দ হবে। সাধারণ মানুষ আদৌও পানীয়জল পাবেন কি না, আমাদের সন্দেহ আছে। কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অমিত ভট্টাচার্য বলেন, পুরসভার জল প্রকল্পে কত টাকা খরচ হয়েছে, কাজ কবে শেষ হবে, এসব নিয়ে প্রশাসনের কাছে বারবার জানতে চেয়েও আমরা উত্তর পাইনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ