সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: উত্তরের সৌন্দর্যের তালিকায় নবতম সংযোজন বাগরাকোটের লুপপুল। বিপুল জনপ্রিয় এই পুল দেখতে যাননি, এমন মানুষ হয়তো হাতেগোনা। কিন্তু ছ’মাস যেতে না যেতেই বিভিন্ন জায়গায় ধরেছে ফাটল। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ পুলে যান। চলে বড় বড় গাড়ি। এই পরিস্থিতিতে বাগরাকোট থেকে সিকিমগামী নির্মীয়মান ৭১৭-এ জাতীয় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরায় কাজকর্মের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
যদিও ন্যাশনাল হাইওয়ে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেডের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। রাস্তার নীচের মাটি প্রাকৃতিকভাবে কমপ্যাক্ট হতে আরও দু’তিন বছর লাগবে। ভয়ের কিছু নেই। লুপপুলের মূল কাঠামোর চুইখিম প্রান্তে রাস্তার ফাটল একেবারে পুলের কাছেই চলে এসেছে। যদিও এজেন্সির সেটা দ্রুত মেরামত করেও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে এখনো বর্ষা পুরোপুরিভাবে শুরু হয়নি। তাহলে ঘোর বর্ষায় কী হবে সিকিমগামী এই রাস্তার ভবিষ্যৎ? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বাগরাকোটের বাসিন্দা রাজেশ পরিয়াল বলেন, যেভাবে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছিল আমরা ভেবেছিলাম খুব ভালো কাজ হচ্ছে। কিন্তু যেভাবে রাস্তা ও রাস্তার গার্ডওয়ালে ফাটল ধরেছে তাতে এই রাস্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে নির্মানকারী সংস্থার প্রজেক্ট ম্যানেজার আমানউল্লাহ খান এদিন বলেন, অসংখ্য পিলারের ওপর দাড়িয়ে থাকা লুপপুলের মূল কাঠামো ঠিকঠাক আছে। কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টির জেরে দু-পাশের অ্যাপ্রোচ রোডের কিছুটা অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে সেই জায়গাগুলো পুনরায় মেরামত করা হবে।