Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটের আশা দূরে রেখে এনজিওধর্মী কাজেই মন সিপিএম যুব সংগঠনের!

কিন্তু সরকারি ধাঁচের কর্মসূচিতেই আগ্রহ দেখাচ্ছে তাদের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই

ভোটের আশা দূরে রেখে এনজিওধর্মী কাজেই মন সিপিএম যুব সংগঠনের!
  • ৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রায় ১৪ বছর হয়ে গেল, রাজ্যে সরকারে নেই সিপিএম। কিন্তু সরকারি ধাঁচের কর্মসূচিতেই আগ্রহ দেখাচ্ছে তাদের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। এবার তারা কলকাতা জেলায় দু’টি হেল্পলাইন নম্বর দিয়ে বলছে, ‘গাছ কাটা বা পুকুর ভরাট হলেই আমাদের জানান’। তারপর কী হবে? কিন্তু এগুলো তো সরকারের স্বাভাবিক কাজ! ডিওয়াইএফআই কি বিকল্প সরকার করতে চাইছে? তাদের বক্তব্য, ‘না। সরকারের কাজ আমরা করব না।’

Advertisement

এমন ‘এনজিওধর্মী’ কাজকর্ম অবশ্য আগেও করেছে বামদলগুলি। করোনাকালে ‘রেড ভলান্টিয়ার’ তারই একটি উদাহরণ বলা চলে। তাতে অবশ্য ভোটবাক্সে কোনও সুবিধা পায়নি লাল শিবির। ডিওয়াইএফআইয়ের কলকাতা জেলা সভাপতি সোহম মুখোপাধ্যায় বলছেন, ‘যেখানে গাছ কাটা বা পুকুর ভরাট হবে, আমরা সেখানকার স্থানীয় আধিকারিকদের তা জানানোর চেষ্টা করব। তারপর কেন্দ্রীয়ভাবে পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগে ডেপুটেশন দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।’ তাঁর আরও ব্যাখ্যা, ‘কাজটা অবশ্যই সরকারকে করতে হবে। আমরা বিকল্প সরকার করতে চাই না। ঘটনাগুলি সবাইকে জানানো এবং প্রশাসনকে চাপ দিয়ে কাজ করানোটাই আমাদের উদ্দেশ্য।’ কিন্তু এসবের কোনও ইতিবাচক প্রভাব তো  ভোটে পড়ছে না! তার কী হবে? সোহমের যুক্তি, ‘ডিওয়াইএফআই ভোটে লড়ে না। কিন্তু বামেরাই প্রথম ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত, ভূমি সংস্কার করেছিল। এখন তো ভোট নেই। তাহলে কি ওগুলো ভুল ছিল? এতে এখনই হয়তো ভোট বাড়বে না। কিন্তু এর সুদূরপ্রসারী ফল আছে।’ সূত্রের দাবি, কয়েক দিন আগে চালু হওয়া দু’টি হেল্পলাইনে এখনও বেশি অভিযোগ আসেনি। মূলত দক্ষিণ কলকাতা থেকে কিছু অভিযোগ এসেছে। তার মধ্যে আবার একটি ওয়ার্ডে বামেদেরই কাউন্সিলার! 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ